আজ শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধানমন্ডিতে অভিনব পদ্ধতিতে শাটার কেটে চুরির ঘটনা

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
ধানমন্ডিতে অভিনব পদ্ধতিতে শাটার কেটে চুরির ঘটনা

Manual4 Ad Code

টাইমস নিউজ 

Manual8 Ad Code

ধানমন্ডি সীমান্ত সম্ভার মার্কেটের স্বর্ণের দোকান ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্সে অভিনব পদ্ধতিতে শাটার কেটে চুরির ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ চোরচক্র শোরুমে প্রবেশ করে মাত্র ৮ মিনিটে আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে যায়।

ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ডিবি দক্ষিণের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম জানান, ফুটেজে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি চাদর দিয়ে দোকানের সামনে শেড তৈরি করে এবং অন্য একজন দ্রুত শাটারের তালা কাটে। তৃতীয় ব্যক্তি শোরুমে প্রবেশ করে ডিসপ্লে থেকে স্বর্ণালংকার বের করে একটি ব্যাগে ভরে দ্রুত পালিয়ে যায়।

রোববার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিংয়ে ডিবি দক্ষিণের যুগ্ম কমিশনার জানান, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত কক্সবাজার ও কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে তিন চোরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৫০ ভরি আট আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

Manual7 Ad Code

ডিবি জানায়, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ডিবি কক্সবাজার থেকে রুবেলকে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে কুমিল্লার দেবীদ্বার বাজারসংলগ্ন নিউমার্কেট এলাকা থেকে সফিক ওরফে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে কুমিল্লার মুরাদনগর থানা এলাকার একটি জুয়েলারি দোকান থেকে ২৮ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণালংকার এবং ২১ ভরি ১০ আনা স্বর্ণের গলিত অংশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় সাদ্দাম হোসেন নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে ৩ জানুয়ারি দুপুরে ধানমন্ডি মডেল থানাধীন বিজিবি সীমান্ত সম্ভার শপিং কমপ্লেক্সের ক্রাউন ডায়মন্ড অ্যান্ড জুয়েলার্সের শোরুমে চুরির ঘটনা ঘটে। শোরুমের মালিক কাজী আকাশ বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন।

Manual7 Ad Code

এতে উল্লে­খ করা হয়, অজ্ঞাতনামা চোরেরা শোরুমের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫৯ ভরি স্বর্ণালংকার চুরি করে, যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৫০ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।

Manual3 Ad Code

ডিবি যুগ্ম কমিশনার আরও জানান, এ ঘটনায় আরও ৮ থেকে ৯ জন জড়িত। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং চুরি হওয়া আরও স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান চলমান আছে। ব্রিফিংয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এবং রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলম উপস্থিত ছিলেন।