আজ শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

editor
প্রকাশিত আগস্ট ১৫, ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ণ
ঢাকায় পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে দেশটির স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেশটির জাতীয় সংগীতের সুরে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। বাংলাদেশে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি কমিউনিটি, বাংলাদেশি বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Manual2 Ad Code

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইসহাক দারের বাণী পাঠ করা হয়।

Manual3 Ad Code

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশে-বিদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। তারা কায়েদ-ই-আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জাতির পিতা আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এবং পাকিস্তান আন্দোলনের নিবেদিত কর্মীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যাদের আত্মত্যাগ, দূরদৃষ্টি এবং অবিচল অঙ্গীকারের ফলে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল।

Manual1 Ad Code

স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা তুলে ধরে নেতৃত্ব দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কায়েদের ঐক্য, বিশ্বাস ও শৃঙ্খলার গাইডিং নীতিমালা সমুন্নত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

Manual1 Ad Code

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মারক-ই-হক’-এর অভূতপূর্ব সাফল্যের কথা স্মরণ করে দেশের নেতৃবৃন্দ পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় তাদের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করেন। আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা উন্নয়নে পাকিস্তান তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে জোর দেওয়া হয়।

ভারতের অবৈধ অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মিরের জনগণের সাথে পাকিস্তানের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরি জনগণের আকাঙ্ক্ষার সাথে সামঞ্জস্য রেখে জম্মু ও কাশ্মির বিরোধ সমাধানের প্রতি দেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

আফগান মাটি থেকে পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় অনুষ্ঠানে।

এ উপলক্ষে হাইকমিশন আয়োজিত ‘পাকিস্তানের ঐতিহাসিক স্থান’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। পাকিস্তানের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিবসটির আয়োজন শেষ হয়।তথ্য সুএ:বাংলা ট্রিবিউন