দেশে এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
দেশে এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual6 Ad Code
দেশে এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নিজ এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না জানিয়ে এমন ঘটনা ঘটলে সরাসরি রাজপথে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।
Manual6 Ad Code
দেশের বর্তমান চাঁদাবাজির চিত্র তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গবাদিপশুকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হচ্ছে। চাঁদা না দিলে খামারের মাছে বিষ মেশানোর মতো জঘন্য অপরাধ ঘটানো হচ্ছে।
নিজের এলাকায় চাঁদাবাজি হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আমার এলাকায় চান্দাবাজি হইলে আমি কাউকে চিনি না। আমি তার বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াব। ডান পাশে বালুচোর আর বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না।”
Manual4 Ad Code
রাজনীতিতে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে এই সংসদ সদস্য জানান, সারের ডিলারশিপ বা রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দেওয়ার মতো কোনো আত্মীয় তাঁর নেই। এমনকি কাউকে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করার প্রয়োজন নেই বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
সাধারণ ভোটার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলীয় কর্মীদের আচরণ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো কর্মী যদি কোনো ভোটারের সঙ্গে বেয়াদবি করে বা অনিয়মে জড়ায়, তবে নাম-পরিচয় গোপন রেখে লিখিতভাবে তাকে জানাতে। তথ্যদানকারীর পরিচয় গোপন রেখে অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর জনগণের সরকার গঠন এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতির প্রত্যাশা থাকলেও বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রুমিন ফারহানা।
তিনি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, বাজারে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না এবং ঢাকা শহরে একটি ডিমের দাম ১৫ টাকায় ঠেকেছে। জিনিসপত্রের এমন চড়া দামে সাধারণ ও গরিব মানুষের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সুএঃ ইত্তেফাক