সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ
সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ১৬, ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর ফেরত দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার ব্রাহ্মণপাড়া নারায়ণপুর সীমান্তে এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে পতাকা বৈঠকের পর তাদের হস্তান্তর করা হয়। এতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, পুলিশের এএসপি মো. শাহিন ও ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন, সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) শশীদল বিওপি কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
Manual3 Ad Code
দুপুর পৌনে ২টায় বৈঠক শেষে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, এএসআই মো. ইমরান হোসেন এবং রহিত দেওয়ানকে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা দুজনই সুস্থ আছেন।
যা বলছে বিজিবি
এদিকে দুপুর আড়াইটায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগের প্রেক্ষিতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক আটক বাংলাদেশ পুলিশের দুই সদস্যকে ফেরত আনা হয়েছে। দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল সীমান্তবর্তী মেইন পিলার ২০৫৯-এর কাছাকাছি বিজিবির সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এবং বিএসএফ ৪৯ ব্যাটালিয়নের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়। পরে দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে বিজিবি তাদের বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
Manual6 Ad Code
যেভাবে আটক হন ২ পুলিশ
Manual1 Ad Code
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানকালে ভুলবশত সীমান্ত অতিক্রম করলে প্রথমে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান এবং পরে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেন আটক হন।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থানার পাঁচ পুলিশ কনস্টেবল ও একজন এএসআই টহল ডিউটিতে যায়। এ সময় সীমান্তের আশাবাড়ি এলাকার ২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলার-সংলগ্ন এলাকায় একজন মাদক কারবারি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান তার পিছু ধাওয়া করে ভুলবশত সীমান্ত কিছুটা অতিক্রম করেন। একপর্যায়ে সীমান্তে অবস্থানরত কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক ওই কনস্টেবলকে আটক করেন। এতে টহল টিমের প্রধান এএসআই ইমরান হোসেন তাকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে তাকেও আটক করা হয়।
ওসির ভাষ্য, সেখানে উপস্থিত বিএসএফ সদস্যদের ডেকে এনে দুইজনকে তাদের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় টিমে থাকা অন্য চারজন নিরাপদ দূরত্বে এসে পুলিশ ও বিজিবিকে বিষয়টি জানায়।