আজ মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিটও পাবে না জামায়াত : ফজলুর রহমান

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২৫, ০৩:২০ অপরাহ্ণ
একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিটও পাবে না জামায়াত : ফজলুর রহমান

Manual3 Ad Code

টাইমস নিউজ 

Manual7 Ad Code

জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিট পাবে না, কিন্তু ৩০০ সিটের পাওয়ার দেখাইতেছে এখন।

Manual6 Ad Code

সমস্ত প্রশাসন দখল করে বসছে। দুই পারসেন্ট লোক নাই। পায়ের ওপর পা তুলে কথা বলে। ইউএনও চলে তার কথায়, ডিসি চলে তার কথায়। প্রশাসন চলে তার কথায়। কেন? বাপের বেটা অইলে ইলেকশনে আসো। ইলেকশনে দেখা যাবে দেশের মানুষ কারে দায়িত্ব দেয়। তখন ব্যাটাগিরি করো।’

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে কিশোরগঞ্জের ইটনা সদরের পুরান বাজার এলাকায় এই ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় জামায়াতের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।

Manual2 Ad Code

ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি জামায়াতের আমিরকে জিজ্ঞেস করবো, আমি একটা কথা মিছা কইছি কিনা? তাহলে আপনার শিবির ও জামায়াতের কর্মীরা আমারে এত বকাবকি করে কেন? আমারে ফজু পাগলা কয় কেন? ঠিক আছে আপনারা পাল্লা (দাড়িপাল্লা প্রতীক) নিয়া করবেন, আমরা ধানের শীষ নিয়া করবো। পাবলিককে ডিসিশন নিতে দেন। পাবলিক যারে ভোট দিবো, হে দেশ চালাইবো। খালি বকাবকি করেন কেন? আর পেছন দিক দিয়ে কালো অন্ধকারে বসে কুট কুট করেন কেন? ১০ বছর কেমনে বিনা ভোটে থাকা যায়। কারণ জানেন, ভোট করলে জামানত থাকবে না। কূটকৌশল করে ক্ষমতায় থাকতে চান।’

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় দালালি করছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার-আলবদর ছিল। তৌহিদি জনতা আমার পোস্টারে কেন জুতা মারেন? মারেন, আমার কপালেও মারেন। কারণ, এই দেশ স্বাধীন করে আপনাদের মাফ করছি বলেই তো বেঁচে আছেন আপনারা।’

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘অনির্বাচিত সরকার কি নির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেশি আইন পাবে? কাজেই আমরা চাই না এই দেশে অনির্বাচিত সরকার দীর্ঘদিন থাকুক। দেশে এখন গণতন্ত্র নাই। আগে কইছে ডিসেম্বর মাসে ভোট দিবো। কয়দিন পরে গলা টাইনা বলে ইলেকশন ছয় মাস দেরি করে জুন মাসে দিবো। জুন মাস যখন হয়ে যাবে, তখন বলবে আরে জুন মাসে তো আওয়ামী লীগের জন্মদিন। এ মাসে ফ্যাসিস্টদের জন্ম। এই মাসে তো কোনও ইলেকশন হইতে পারে না। এরপরে কইবো, আগস্ট-সেপ্টেম্বর, এটাতে তো আমরা আন্দোলন করছিলাম, বিপ্লবের মাস। সেই মাসে ইলেকশন হবে না। আরেকটু পিছিয়ে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে হোক। এইভাবে ইলেকশন টেনে কূটকৌশল করে পিছাইতেছে। কারণ তারা জানে ইলেকশন অইলে বিএনপি ৮০ ভাগ ভোট পাবে। যে কারণে ইলেকশন দিতে চায় না।’

ইটনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ ছালেকের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী জেলা বিএনপির সহসভাপতি আইনজীবী উম্মে কুলসুম, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন প্রমুখ।