রাজশাহীর পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছান-এর দিক নির্দেশনায় এবং বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সেরাজুল হকের নেতৃত্বে বাঘা থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত (৮ জুলাই রাত থেকে ৯ জুলাই ) থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চোরাই মাল উদ্ধারসহ ইয়াবা, ওয়ারেন্ট ও অন্যান্য অপরাধে মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই দিবাগত রাতে বাউসা ইউনিয়নের তেপুকুরিয়া গ্রামের মানিকুর রহমানের বাড়ি থেকে একটি ল্যাপটপ চার্জার, একটি ইলেকট্রিক চুলা, একজোড়া স্পিকারসহ অন্যান্য মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জুলাই বাউসা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের ইস্তা মণ্ডলের ছেলে নাঈম ইসলাম (৩০) এবং একই ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের জয়নুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০)-কে গ্রেফতার করা হয় এবং তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া ইলেকট্রিক চুলা, স্পিকার ও ল্যাপটপের চার্জার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি চুরির মামলা রুজু হয়েছে।
অপরদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাশপুর গ্রাম থেকে মাহবুবুর রহমানের ছেলে মোঃ মারুফ (২০)-কে ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়াও এনআই অ্যাক্টের পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাজুবাঘা ইউনিয়নের বাজুবাঘা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত হযরত আলী শেখের ছেলে আব্দুল করিম এবং চকছাতারি গ্রামের আব্দুস সামাদ সরকারের ছেলে সিরাজুল ইসলামকে নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
একইসাথে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারায় আড়ানী এলাকা থেকে নাটোর জেলার লালপুর থানার কেশব মিলকিপাড়া গ্রামের ওমর কবিরাজের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২) এবং বাগাতিপাড়া থানার পেয়ারবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৩৭)-কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সকলকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে বাঘা থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে।