আজ শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে প্রকাশ্যে নারী ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা;প্রধান আসামি সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে প্রকাশ্যে নারী ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা;প্রধান আসামি সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual3 Ad Code

গাজীপুর নগরের গাছা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক নারী ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত ব্যবসায়ীর নাম রানু বেগম (৪০)। তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার মাইজবাগ গ্রামের মো. হিরোনের স্ত্রী। গাজীপুর মহানগরের পশ্চিম কলমেশ্বর এলাকায় ভাড়া থাকতেন তিনি। ওই এলাকার দুলাল মার্কেটে ‘রানী ফ্যাশন গ্যালারি’ নামের একটি কাপড়ের দোকান চালাতেন ওই নারী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আশিক ইসলাম ওরফে স্বপন (২৭)। তিনি মহানগরের গাছা থানার কলমেশ্বর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। আশিক গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের গাছা থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রানু বেগম কাপড়ের ব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সুদের ভিত্তিতে টাকা লেনদেন করতেন। পাওনা টাকা নিয়ে একই এলাকার মুদিদোকানি নজরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আশিক ইসলামের সঙ্গে রানুর বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে গতকাল সকাল আটটার দিকে আশিকের বাবা নজরুল ইসলামকে গালাগাল করেন রানু বেগম। বিষয়টি জানতে পেরে আশিক ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে রানু বেগমের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। রানুকে বাঁচাতে তাঁর ছেলে হৃদয় মিয়া ও ওসমান হোসেন এগিয়ে গেলে তাঁদেরও ছুরিকাঘাত করে আশিক পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে রানু বেগম মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় গতকাল রাতে নিহত রানুর ছেলে হৃদয় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। পরে দিবাগত রাত দুইটার দিকে অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে আশিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দিই না। আশিক যদি অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। তিনি বর্তমানে সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে যুক্ত নন।’

Manual3 Ad Code

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Manual1 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

তথ্য সুএঃ প্রথম আলো