নয়া দিল্লিতে সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান যা বললেন
নয়া দিল্লিতে সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান যা বললেন
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ণ
Manual5 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual7 Ad Code
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, যে কোনো ধরনের ‘ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে’ ভারত ও বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ‘একাধিক যোগাযোগের চ্যানেল’ খোলা রয়েছে।
Manual8 Ad Code
মঙ্গলবার নয়া দিল্লিতে সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তার এমন মন্তব্য আসে।
একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের যে নতুন সমীকরণ, সেটা ভারতের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী বিষয়টি কীভাবে দেখছে।
Manual4 Ad Code
জবাবে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, “প্রথমত, বাংলাদেশের ক্ষমতায় কী ধরনের সরকার রয়েছে, তা আমাদের জন্য বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। যদি এটি একটি অন্তর্বর্তী সরকার হয়, তাহলে দেখতে হবে— তারা যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে, সেগুলো আগামী ৪–৫ বছরের জন্য নাকি কেবল আগামী ৪–৫ মাসের জন্য।
“আমাদের বিবেচনা করতে হবে— এখনই আমাদের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন আছে কি না।”
#WATCH | Delhi: On the situation in Bangladesh, Indian Army Chief General Upendra Dwivedi says, "First of all, it is important for us to understand what kind of government is in place in Bangladesh. If it is an interim government, we need to see whether the actions it is taking… pic.twitter.com/CeDWSD6YfP
ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, “দ্বিতীয়ত, এই মুহূর্তে তিন বাহিনীই তাদের যোগাযোগের সব চ্যানেল পুরোপুরি খোলা রেখেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একাধিক যোগাযোগের চ্যানেল সক্রিয় রয়েছে এবং আমি সেখানে তাদের সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।
Manual5 Ad Code
“একইভাবে, অন্যান্য চ্যানেলের মাধ্যমেও আমরা যোগাযোগ বজায় রাখছি। আমরা সেখানে একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছিলাম, যারা মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। একইভাবে, নৌবাহিনীর প্রধান এবং বিমানবাহিনীর প্রধানও কথা বলেছেন।”
জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “এর উদ্দেশ্য হল, কোনো ধরনের যোগাযোগের বিভ্রাট বা ভুল বোঝাবুঝি যেন না হয়। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই মুহূর্তে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে, তার কোনোটিই কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে নির্দেশিত নয়।
“সক্ষমতা উন্নয়নের বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভারতও তা করছে, অন্যান্য দেশও করছে। আর আমাদের প্রস্তুতির দিক থেকে বলতে গেলে, আমরা সেখানে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।”