আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের ৫ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যের ৫ দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় ইরান

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সহায়তা করার অভিযোগে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইরান। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান।

Manual5 Ad Code

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট জামাল ফারেস আলরোয়ায়ির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই ৫ দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সহযোগিতা করার মাধ্যমে তাদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করেছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘যেহেতু তারা আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘণ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে সহযোগিতা করেছে, তাই এ যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির দায় তাদের ওপরও বর্তায়। এ কারণে ইরানের সরকার এই ৫ রাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাইছে।

Manual2 Ad Code

জাতিসংঘ মহসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত এ চিঠির কোনো জবাব দেওয়া হয়নি।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত দুই যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে যুক্তরাষ্ট্রের। দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

Manual7 Ad Code

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনই নিহত হন আয়তুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন। এছাড়া ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায়।

Manual8 Ad Code

ইরানে ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহে মোহাজেরানি দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে বলেছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইরানের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি