উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
Manual4 Ad Code
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১টা ৪৬ মিনিটের দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।
এর আগে রাত ৮টা ১৪ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে ক্রিম কালারের একটি গাড়িতে করে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া। বাসা থেকে বের হয়ে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় পর বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপির এই নেত্রী।
প্রায় সাত বছর পর লন্ডন যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। বাংলাদেশ সময় বুধবার তার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এদিকে, সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, কাতার আমিরের পাঠানো ‘বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ দেশটির রাজধানী দোহা হয়ে লন্ডন পৌঁছাবেন তিনি।
জাহিদ হোসেন আরও বলেন, সেখান থেকে সরাসরি যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য লন্ডন ক্লিনিকে নেওয়া হবে খালেদা জিয়াকে। সেখানকার চিকিৎসকরা যদি মনে করেন তার যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা প্রয়োজন, তাহলে সেখানে যাবেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বাংলাদেশের ৬ এবং কাতারের ৪ জন চিকিৎসক বেগম জিয়ার সঙ্গে থাকবেন।
Manual3 Ad Code
এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হবে কি না, লন্ডন ক্লিনিকের চিকিৎসকরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আশা করছি, আল্লাহর রহমতে বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে উঠলে দেশে ফেরার পথে ওমরাহ পালন করবেন।
Manual3 Ad Code
এ সময় বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে রিসিভ করবেন তার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং লন্ডন বিএনপির নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই খালেদা জিয়া লন্ডন গিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের একাধিক মামলার পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ওই বছরের ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন তিনি। ওই সময় তিনি যুক্তরাজ্যের ডা. হ্যাডলি ব্যারির চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।