আমরা কি ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম ? প্রশ্ন তুলেছেন পরীমনি
আমরা কি ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম ? প্রশ্ন তুলেছেন পরীমনি
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ০৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
নুসরাত জাহান
আমরা কি ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম ? প্রশ্ন তুলেছেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি । ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি পোস্ট দিয়েছেন । এখানে সেই কথাগুলো হুবহু তুলে ধরা হলো ।
Manual3 Ad Code
“এতো চুপ করে থাকা যায় নাকি!!!
পরাধীন মনে হচ্ছে। শিল্পীদের এতো বাধা কেন আসবে? Insecure feel হচ্ছে ! এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা!
মেহজাবীন, পরশী এর আগে এমন হেনস্থার শিকার হয়েছেন! ধর্মের দোহাই দিয়ে কি প্রমাণ করতে চলেছেন তারা!?
কি বলার আছে আর ….এ দেশে সিনেমা/ বিনোদন সব বন্ধ করে দেয়া হোক তাহলে !
তাহলে কি আমরা ধরে নেব, আমরা ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম তখন! নাকি এখন হচ্ছি? কোনটা ???
এই দায়ভার কিন্তু আমাদের সবার নিতে হবে। ”
Manual1 Ad Code
কয়েক দিন ধরে টাঙ্গাইলে একটি পণ্যের শোরুম উদ্বোধনের খবর ফেসবুকে প্রচার করছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। জানিয়েছিলেন, তিনি এদিন নিজে উপস্থিত থেকে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের টিন মার্কেট শোরুমের উদ্বোধন করবেন। সবই ঠিকঠাক ছিল; কিন্তু জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের টাঙ্গাইল এবং কালিহাতী শাখার আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে যাননি পরীমনি। যদিও এর আগে এই প্রতিষ্ঠানের হয়ে টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি শোরুমের উদ্বোধন করেছিলেন পরীমনি।
Manual2 Ad Code
জানা গেছে, আজ শনিবার বিকেল তিনটায় এলেঙ্গার টিন মার্কেটে কসমেটিক পণ্যের দোকান ‘হারল্যান স্টোর’-এর শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল পরীমনির। কিন্তু কিছু মানুষের বাধার মুখে স্থগিত করা হয় এই অনুষ্ঠানের।
Manual1 Ad Code
সংবাদমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মীর মাসুদ রানা।
হারল্যান স্টোর এলেঙ্গার স্বত্বাধিকারী মীর মাসুদ রানা জানান, আজ শনিবার চিত্রনায়িকা পরীমনির শোরুম উদ্বোধনের কথা ছিল। এ জন্য প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। মীর মাসুদ বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে প্রচারণা চালানো হচ্ছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে শরিফুল ইসলাম নামক একজন প্রথমে ফোন করে জানান, তাঁরা পরীমনিকে এনে অনুষ্ঠান করতে দেবেন না। শুক্রবার ফজরের নামাজের পর ফোন করেন মুফতি সুলাইমান, মুফতি সুরুজ্জামানসহ ৩০ থেকে ৪০ জন ফোন দিয়ে পরীমনিকে আসতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন। তাঁরা পরীমনি সম্পর্কে অশালীন মন্তব্যও করেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ এবং শোরুমের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন। পরে বাধ্য হয়ে অনুষ্ঠান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেই। তারপরও শনিবার অনেক মানুষ এসেছিলেন পরীমনিকে দেখতে।’
পরীমনির টাঙ্গাইল যাওয়াকে ঘিরে গতকাল শুক্রবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুববিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ কালিহাতী উপজেলার সভাপতি মুফতি সুলাইমান হাবিব তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে হারল্যান শোরুম উদ্বোধন করার জন্য একজন চিত্রশিল্পী (পরীমনি) আসার কথা ছিল। এ বিষয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক নেতিবাচক আলোচনা হওয়ায় স্থানীয় ইমাম, আলেম-ওলামা ও ধর্মপ্রাণ কিছু ভাই গত (বৃহস্পতিবার) রাতে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি অবহিত করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার সকালে স্থানীয় ওলামায়ে কেরামসহ আমি শোরুমের মালিক মাসুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলি। সবার সম্মান রক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রোগ্রাম স্থগিত করেন মর্মে আমাকে নিশ্চিত করেছেন। আমরা তার এই আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’