বাংলাদেশে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার পথিকৃৎ ও পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। দেশের প্লাস্টিক সার্জারি চিকিৎসার বিকাশ ও আধুনিকায়নে তার রয়েছে অসামান্য অবদান। তবে মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে ইউনূস সরকার আসতে দেয়নি বলে জানা গেছে।
Manual5 Ad Code
সম্প্রতি ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটা বড় ডিজাস্টার হয়েছিল। আমাদের ট্রেনিং ফাইটার ট্রেনিং জেট ক্রাশ করেছিল মাইলস্টোন স্কুলের মধ্যে। ওই ঘটনাটা যখন ঘটেছিল প্রথম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সবাই ছুটাছুটি করছিল যে এটাকে কীভাবে ট্যাকেল করা যায়। প্রথমে আগুন নেভাতে হবে।
Manual4 Ad Code
হাসপাতাল নিতে হবে। বার্ন ইউনিট অর্গানাইজ করতে হবে। অনেক ধরনের অনেক মানুষ অনেক ধরনের চেষ্টা করেছিল, আমাদের দলের থেকেও অনেক মানুষ গিয়েছিল সাহায্য করার জন্য।
হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, একজন ব্যক্তির ব্যাপারে আমি আজকে বলতে চাই। এটার জন্য হয়ত আমাকে পরে অনেক গালি খেতে হবে। কিন্তু সৎ সাহস নিয়ে কথাটা বলছি, আমাদের এক্স একজন ডাক্তার ছিলেন, উনি বোধহয় পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের সময় মন্ত্রীও ছিলেন, উনাকে সবাই চেনেন। ডা. সামন্ত লাল সেনকে। তাকে সবাই গুরু হিসেবে চেনেন ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট আর বার্ন ইউনিটের জন্য। প্রথম বোধহয় বার্ন ইউনিট উনি অর্গানাইজ করেছিলেন বাংলাদেশে।
Manual5 Ad Code
তিনি বলেন, ডা. সামন্ত লাল সেনের তরফ থেকেও মাইলস্টোনের ঘটনায় সাহায্যের হাত বাড়ানো হয়েছিল। আর এই জিনিসটার মধ্যে আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জড়িত ছিলাম। এজন্য আমি জানি। উনি বলেছিলেন, আমি জানি যে একটা বিশাল দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সহযোগিতা করতে চাই। যেভাবেই হোক না কেন আমি সহযোগিতা করতে চাই। আমি এই মেসেজটা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সাড়া দিল না। সাহায্য নিল না। আমি জানি না, সাহায্য নিলে হয়ত কয়েকটা জান বেঁচে যেত। কিন্তু উনারা নেননি। আমি আবারও বলছি, এটা ঘাড়ত্যারামি। বলেছি তো বলেছি, করব না। এই ধরনের অনেক ঘটনা আছে, যেখানে উনাদের একগুঁয়েমির কারণে আমাদেরকে বর্তমানে অনেক জায়গায় ভুগতে হচ্ছে।