Sharing is caring!

দোয়েল, রাঘা,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর বাঘায় তীব্র বিদ্যুৎ ঝলকে ও বজ্রপাতে ১১টি মহিষ নিহত হয়েছে।
শনিবার (৩ আগস্ট) রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার চৌমাদিয়া গ্রামের বাংলা বাজার চরে অবস্থিত একটি বাতান বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে ।
দুর্ঘটনাকবলিত ওই বাতান বাড়িটি নতুন নির্মিত। পদ্মা নদীর ভাঙনের প্রভাব থেকে বাঁচতে নবীর আলী শেখ নামের একজন ব্যক্তি এই বাতাস বাড়িতে মহিষগুলো রাখছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, সারা রাত প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় বজ্রপাত শুরু হলে মুহূর্তেই বাজে গর্জন এবং তীব্র বিদ্যুৎ ঝলকে মহিষগুলো তৎক্ষণাৎ নীরব হয়ে পড়ে। পরে কোনো ভাবেই মহিষগুলোর প্রাণ রক্ষা করা যায়নি। পরবর্তীকালে মৃতদেহগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
মালিক নবীর আলী শেখ দাবি করেছেন, এককালে এই ১১টি মহিষের বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। বজ্রপাতের ফলে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তিনি নিজেকে নিঃস্ব অনুভব করেন। প্রতিপাদ্য ক্ষতি তাঁকে কঠিন সংকটে ফেলেছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান মুঠোফোনে জানান, নদীমাতার এই চরাঞ্চলে বৃষ্টিতে শতবার বজ্রপাত ঘটেছে। আবার মহিষ রাখার মতো প্রথা ক্রমশই উন্নয়ন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে একই বিপদের সৃষ্টি করে।
তিনি সতর্ক করেন, বিশেষ করে রাতের আকাশে বজ্রপাত শোনা মাত্রই অন্তত ৩০ মিনিট সময় কাভার্ড বা ঘরের ভেতরে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে মালিক নবীর আলী বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে ও ইউপি সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার দাবি ঘটনার যথাযথ তদন্ত, বাজারমূল্য হারে ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণের ব্যবস্থা দ্রুত করতে — যাতে পুনরায় এমন বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়।