কারাগারে বগুড়ার আরেক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু,বগুড়ায় এনিয়ে ৬ জন
কারাগারে বগুড়ার আরেক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু,বগুড়ায় এনিয়ে ৬ জন
editor
প্রকাশিত মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
কারাবন্দি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহনুর আলম শান্ত (৫৫) মারা গেছেন।
শুক্রবার রাত ১০টায় জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন বগুড়া কারাগারের জেলার নুরুল মুবিন।
জেলার নুরুল মুবিন বলেন, বগুড়া সদরের একটি বিস্ফোরক মামলায় গত ৪ জানুয়ারি শাহনুর আলম শান্তকে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়, পরে ১৭ জানুয়ারি বগুড়া থেকে তাকে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কেরানীগঞ্জ জেলের ডেপুটি জেলারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
কেরানীগঞ্জ কারাগারের ডেপুটি জেলার তায়েবা বলেন, “শাহনুর আলম শান্ত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। এর আগেও দুবার অসুস্থ হলে তখনও হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর বেশি কিছু বলতে পারবো না।”
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার এসআই অমিত হাসান বলেন, সুরাইয়া জেরিন নামের এক বিএনপি নেত্রীর হত্যার চেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে জেলখানায় পাঠানো হয়।
তবে হাটশেরপুর গ্রামের রজব আলী বলেন, শাহনুর আলম শান্ত একজন পঙ্গু ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করার অপরাধে তাকে এভাবে মৃত্যুবরণ করতে হল। কারা-কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও সুচিকিৎসার অভাবে তার এই অকাল মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়, বরং এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
Manual3 Ad Code
মিথ্যা বানোয়াট মামলায় শান্তকে কারাগারে পাঠানো দাবি করে তিনি আরও বলেন, চাঁদা দিতে ব্যর্থ হওয়াই বগুড়া শহরের নাড়ুলী এলাকা থেকে ‘মব সন্ত্রাস’ করে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। পরে মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
Manual6 Ad Code
বগুড়ায় কারাবন্দী ৬ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
Manual6 Ad Code
এদিকে বগুড়ায় এ পর্যন্ত কারাবন্দী হওয়া ৬ জন আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। যাকে ‘অস্বাভাবিক’ বলছেন দলটির নেতারা।
মারা যাওয়া অপর পাঁচ জন হলেন- আওয়ামী লীগের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত আলম ঝুনু, গাবতলী উপজেলার সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন মিঠু, শিবগঞ্জ উপজেলার কোষাধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, গাবতলী দক্ষিণ পাড়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এমদাদুল হক ভুট্টো এবং বগুড়া ১৫ নম্বর পৌর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রতন।
এ বিষয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্ত করার দাবি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার ওপেল। তিনি বলেন, একের পর এক জেলখানায় যাওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতাদের মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা না।