আজ সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যালিফোর্নিয়ায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণের আশঙ্কা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

editor
প্রকাশিত মে ২৪, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
ক্যালিফোর্নিয়ায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণের আশঙ্কা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার অরেঞ্জ কাউন্টির একটি রাসায়নিক কারখানায় বিষাক্ত রাসায়নিকভর্তি একটি ট্যাংক ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ট্যাংকটি যেকোনো সময় ফেটে যেতে বা বিস্ফোরিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারখানার একটি ট্যাংকে প্রায় সাত হাজার গ্যালন অত্যন্ত দাহ্য রাসায়নিক মিথাইল মেথাক্রাইলেট রয়েছে। প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত এই রাসায়নিকের কারণে ট্যাংকটির ভেতরে তাপ ও চাপ বাড়ছে।

Manual1 Ad Code

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গার্ডেন গ্রোভ এলাকার হাজারো বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।


স্থানীয় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে

উড়োজাহাজ ও মহাকাশযানের যন্ত্রাংশ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জিকেএন অ্যারোস্পেস পরিচালিত কারখানাটি জনপ্রিয় ডিজনিল্যান্ড রিসোর্ট থেকে প্রায় পাঁচ মাইল দূরে। তবে থিম পার্কটি ঝুঁকির বাইরে থাকায় সেটি খোলা রাখা হয়েছে।

কেউ যদি গন্ধ অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধ করেছেন অরেঞ্জ কাউন্টির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রেজিনা চিনসিও-কোয়ং।

Manual4 Ad Code

তিনি বলেন, ‘গন্ধ পেলেই যে তা ক্ষতিকর মাত্রায় পৌঁছে গেছে, এমন নয়। তবে আমরা চাই না, কেউ এই গন্ধের সংস্পর্শে আসুক।’

চিনসিও-কোয়ং জানান, এই রাসায়নিকের বাষ্প শ্বাসের সঙ্গে শরীরে গেলে শ্বাসকষ্ট, চোখে জ্বালা ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যা হতে পারে।

অরেঞ্জ কাউন্টির ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ক্রেইগ কোভি জানান, ট্যাংকের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্যাংকে পানি ছিটানো হচ্ছে এবং রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়লে তা আটকে রাখতে বিশেষ প্রতিরোধব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে।

Manual7 Ad Code


ড্রোনে ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে, তাপমাত্রা কমাতে রাসায়নিকের ট্যাংকটিতে পানি ছিটানো হচ্ছে

কারখানাটি পরিচালনা করে জিকেএন অ্যারোস্পেস। যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠান উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ নির্মাণ করে থাকে।

প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক নয়। স্থানীয় জনগণ, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবা বিভাগ, বিপজ্জনক পদার্থ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা বিশেষায়িত দল এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি

 

Manual2 Ad Code