আমি ভারতকে ভালবাসি, মোদীকেও’! দিল্লিতে অনুষ্ঠানের মাঝেই রুবিয়োকে ফোন করে বার্তা দিলেন ট্রাম্প
আমি ভারতকে ভালবাসি, মোদীকেও’! দিল্লিতে অনুষ্ঠানের মাঝেই রুবিয়োকে ফোন করে বার্তা দিলেন ট্রাম্প
editor
প্রকাশিত মে ২৫, ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যে চার দিনের ভারত সফরে এসে কলকাতা ঘুরে দিল্লিতে গিয়ে শনিবার মোদী ও রবিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিয়ো। সাক্ষাৎ হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গেও।
Manual7 Ad Code
ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘বন্ধু’ সম্বোধন করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার দিল্লির ভারত মণ্ডপে আয়োজিত হয়েছিল আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানের মাঝেই মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োকে ফোন করেন ট্রাম্প। বলেন, ‘আমি ভারতকে ভালবাসি, প্রধানমন্ত্রীকে ভালবাসি’। আরও বলেন, ‘মোদী মহান’।
Manual4 Ad Code
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান ট্রাম্প। লাউড স্পিকারে সকলের সামনে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দাবি, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক আগে এত ‘ঘনিষ্ঠ’ ছিল না। তাঁর বার্তা, ‘‘আমার ও আমেরিকার উপরে ভারত সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে পারে।’’ অর্থনীতি প্রসঙ্গে ট্রাম্পের দাবি, ভারতের প্রতি আমেরিকার সমর্থন রয়েছে। মার্কিন অর্থনীতি ও শেয়ার বাজার রেকর্ড তৈরি করেছে দাবি করে ‘পাশে থাকা’-র প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘‘সাহায্যের প্রয়োজন হলে তাঁরা জানেন কাকে ফোন করতে হয়।’’ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘‘ভারত যা কিছু চায়, তার সব কিছুই আমাদের আছে।
(বাঁ দিকে) মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)
Manual5 Ad Code
প্রসঙ্গত দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার লক্ষ্যে চার দিনের ভারত সফরে এসে কলকাতা ঘুরে দিল্লিতে গিয়ে শনিবার মোদী ও রবিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিয়ো। সাক্ষাৎ হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গেও। আলোচনার বিষয় ছিল দুই দেশের প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শিক্ষা, জ্বালানি, ভিসা ও জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক ও পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি।
প্রসঙ্গত, রুবিয়োর সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সমাজমাধ্যমে মোদী লিখেছিলেন, বিশ্বের মঙ্গলের জন্য ভারত ও আমেরিকা ‘নিবিড়’ ভাবে কাজ করে। রুবিয়োর দাবি, ‘কৌশলগত জোট’ বিশ্ব ও বিশ্বের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহকে ‘প্রভাবিত’ করার ক্ষমতা রাখে। আমেরিকার বিদেশ দফতর থেকে দাবি করা হয়েছিল, ইরানকে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার কুক্ষিগত করে রাখতে দেওয়া হবে না। আরও দাবি, জ্বালানির ক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করতে পারে আমেরিকা।