আজ শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে আ.লীগ-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৮

editor
প্রকাশিত জুন ২০, ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে আ.লীগ-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৮

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

ঝিনাইদহে আ.লীগ-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৮
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৮ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে তজিবার মোল্লার বাড়ির সামনে এ সংঘর্ষ হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে একটি পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট বজলুর রহমানের ছোট ভাই মো. রকিবুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।

Manual6 Ad Code

ওই ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে বজলুর রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে একই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মশিউর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

Manual4 Ad Code

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৮ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

Manual3 Ad Code

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক মারামারি নয়। একটি পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

অন্যদিকে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান অভিযোগ করেন, গতকাল বিকেলে পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে মারামারি হয়েছিল। তারই জের ধরে আজ সকালে আওয়ামী লীগের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। হামলায় আমার অন্তত ১০ জন সমর্থক আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের পর থেকে বোয়ালিয়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আবারও বড় ধরনের সহিংসতার শঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

Manual2 Ad Code

হরিণাকুন্ডু থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আসিত কুমার রায় জানান, খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।সুএঃ ঢাকা পোস্ট