আজ শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় শাসন করতে গিয়ে বাবা-মায়ের মারধর, লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল মেয়ের

editor
প্রকাশিত জুলাই ১১, ২০২৬, ০৩:৩৭ অপরাহ্ণ
খুলনায় শাসন করতে গিয়ে বাবা-মায়ের মারধর, লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল মেয়ের

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual3 Ad Code

খুলনা নগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরফানা হোসেন নির্জনা হত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছেন তার মা আরিফা ইয়াসমিন সিমা।

Manual6 Ad Code

শুক্রবার (১১ জুলাই) তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

শনিবার সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান এ তথ্য জানান।

নির্জনা নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা এবং সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, জবানবন্দিতে আরিফা ইয়াসমিন সিমা জানিয়েছেন, একাধিক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক এবং পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তারা মেয়েকে শাসন করছিলেন। একপর্যায়ে মা মেয়েকে চড়-থাপ্পড় মারেন। এ সময় নির্জনাও মায়ের গায়ে হাত তোলেন। তখন পাশের ঘর থেকে একটি লাঠি এনে নির্জনাকে আঘাত করেন তার বাবা আলিম হোসেন আকাশ। নির্জনা সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে লাঠির আঘাত তার মাথায় লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিস্তেজ হয়ে পড়েন।

Manual2 Ad Code

ঘটনার পর প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে নির্জনার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নিরালা এলাকার একটি ভবনের সামনে ফেলে রাখা হয় বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলায় আরিফা ইয়াসমিন সিমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক বাবা আলিম হোসেন আকাশকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পুলিশ কমিশনার জানান, প্রায়ই পরিবারের অমতে বাড়ির বাইরে অবস্থান করায় মেয়ের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন তার বাবা। গত বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বসুপাড়া এলাকার বাসায় এসব বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আবারও বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সেই বিরোধের জেরেই নির্জনা নিহত হন।