২০১০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পরবর্তী তিন আসরে শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোতে পারেনি স্পেন। ২০১৬ বছর পর আবারও সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে দেশটি। চলতি বিশ্বকাপে আগের পাঁচটি ম্যাচে কোনো গোল হজম না করলেও বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রথমবার রক্ষণ দেয়াল ভাঙে তাদের। পিছিয়ে পড়েও প্রথমার্ধে সমতায় ফিরেছিল বেলজিয়াম। তবে শেষ দিকে রেড ডেভিলসদের স্বপ্নভঙ্গ করেন মিকেল মেরিনো। শেষ ষোলোতে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯২ মিনিটে জয়সূচক গোলটির পর আজও ৮৮ মিনিটে গোল করে স্পেনকে ২-১ গোলে জয় এনে দিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে স্পেনের হয়ে গোল দুটি করেন ফ্যাবিয়ান রুইজ ও মেরিনো। বেলজিয়ামের একমাত্র গোলটি করেন চার্লস ডি কেটেলেয়ার। জয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আগামী ১৪ জুলাই ডালাসে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে শিষ্যরা।
Manual5 Ad Code
লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধজুড়ে বল দখল ও আক্রমণে দাপট দেখায় স্পেন। তবে জালের দেখা পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩০ মিনিট পর্যন্ত। লামিন ইয়ামালের বাড়ানো বল ডি বক্সে পাঠান পেদ্রো পোরো। সেখানে বল পেয়ে গোলমুখে শট করেন দানি ওলমো। তবে সেই শট ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্ত্তয়া। ফিরতি বল পেয়ে জোরালো শটে জালে জড়ান ফ্যাবিয়ান রুইজ। ১-০তে এগিয়ে যায় স্পেন।
Manual1 Ad Code
৩৬ মিনিটে বক্সের কাছাকাছি জায়গায় ফ্রি-কিক পেয়েছিল স্পেন। কিন্তু ইয়ামালের জোরাল খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি কোর্ত্তয়াকে। সহজেই ঠেকিয়ে দেন এই গোলরক্ষক।
৪১ মিনিটে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। টিমোথি ক্যাসটেনের ক্রস থেকে বল পেয়ে অসাধারণ হেডে জাল খুঁজে নেন কেটেলেয়ার। পাউ কুবারসির সামনে গিয়ে দুর্দান্তভাবে অবস্থান নিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপে টানা ৬০০ মিনিটেরও বেশি সময় গোল হজম না করা উনাই সিমন কেবল অসহায় হয়ে দেখলেন।
Manual6 Ad Code
পরে স্পেন একাধিক আক্রমণ করলেও প্রথমার্ধে আর লিড নিতে পারেনি।