এবার জর্ডানের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
এবার জর্ডানের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
editor
প্রকাশিত জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন আজরাক বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর এবার একই সামরিক অবস্থানে শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে বড় ধরনের সফল আক্রমণ চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যুদ্ধবিমান পার্কিং র্যাম্প এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড সেন্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস করতেই এই দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়েছে।
জর্ডানের সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় আইআরজিসি জানিয়েছে যে তাদের সুদক্ষ বাহিনী জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশাল সামরিক ঘাঁটির অভ্যন্তরে মার্কিন যুদ্ধবিমানের নতুন স্টোরেজ র্যাম্প এবং পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার নবনির্মিত প্রধান কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারে এই নিখুঁত আঘাত হেনেছে।
এই অভিযানে তারা অত্যন্ত আধুনিক ও বিধ্বংসী ‘খাইবার-শেকন’ নামক ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মার্কিন এই স্পর্শকাতর স্থাপনা দুটি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে।
Manual1 Ad Code
বিবৃতিতে আইআরজিসি এই আকস্মিক ও তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নেপথ্য কারণ স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক নৃশংস আক্রমণের প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
আমেরিকার পূর্ববর্তী বিমান হামলায় ইরানের আহভাজ এলাকায় ক্যানসারে আক্রান্ত ১২১ জন শিশুকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়েছিল। এর পাশাপাশি গত মার্চ মাসে মিনাব শহরের একটি সাধারণ বিদ্যালয়ে মার্কিন বোমাবর্ষণে ১৬৮ জন নিষ্পাপ শিশুর নির্মম মৃত্যু হয়েছিল, যার চূড়ান্ত জবাব দিতেই এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়েছে।
Manual1 Ad Code
তেহরানের এই আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই জর্ডানের রাজকীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জর্ডানের সামরিক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আকাশসীমায় অনধিকার প্রবেশ করা অন্তত আটটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তারা মাঝ আকাশেই সফলভাবে ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
Manual6 Ad Code
এই ঘটনার পর জর্ডানের জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইআরজিসি বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে তারা যেন নিজেদের দেশের পবিত্র ভূখণ্ডকে শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত আমেরিকার এই সব জঘন্য যুদ্ধাপরাধ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে না দেয়।