সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সৌদি হামলায় ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই: পেজেশকিয়ান
সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সৌদি হামলায় ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই: পেজেশকিয়ান
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual7 Ad Code
সৌদি আরবে ইয়েমেনের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানান, সৌদির সঙ্গে হুথিদের নিজস্ব সমস্যা রয়েছে, কিন্তু সৌদির বিরুদ্ধে ইরান কোনো যুদ্ধ করছে না।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ করছি না। হুথিদের সঙ্গে সৌদির নিজস্ব ইস্যু আছে। আমি বারবার বলেছি, এই অঞ্চলের সব দেশের উচিত একসঙ্গে আলোচনায় বসা এবং এখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের একে অপরের বিরুদ্ধে দ্বন্দ্বে জড়ানোর কোনো কারণ নেই।
এদিকে ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরবর্তী বন্দরনগরী মোখা দখল করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের এই জয় নিয়ে ইরানের রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যমে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। অনেকে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরানের জয় হিসেবেও দেখছেন।
হুথি বিদ্রোহীদের বেশিরভাগই জাইদি শিয়া মুসলিম। ২০১৪ সালে পশ্চিমা ও সৌদি আরব সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাজধানী সানা দখলের পর থেকেই তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
লোহিত সাগরে হুথিদের এই বিজয়কে ‘আল্লাহর দেওয়া জয়’ বলে অভিহিত করেছেন ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি। শনিবার এক্স-এ তিনি বলেন, পূর্ব উপকূলে আনসারুল্লাহদের জয় আল্লাহর দেওয়া জয় এবং কঠিনতম যুদ্ধক্ষেত্রে বছরের পর বছর দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকার ফল।
শুক্রবার মোখা বন্দর সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথিরা। এটি ইয়েমেনি সরকারের জন্য বড় ধাক্কা। মোখার নিয়ন্ত্রণ হারানোর মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরে নিজেদের প্রভাব প্রায় পুরোপুরি হারিয়েছে সরকার।
Manual2 Ad Code
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ২০২৪ সালের একটি পুরোনো বক্তব্য সামনে এনেছেন। সেখানে খামেনি বলেছিলেন, হুথিদের প্রতিরোধ তাদের বিজয়ের পথে নিয়ে যাবে। ঘালিবাফ নিজেও বলেছেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইচ্ছায় ইয়েমেনের সাহসী জনগণ নিশ্চিতভাবে বিজয়ী হবে।
দেশটির প্রথম সহ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মাদ রেজা আরেফ বলেছেন, হুথিদের এ জয়ে ইরান সরকার খুশি। তিনি মন্তব্য করেন, এই অঞ্চলের সব দেশের উচিত যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের ওপর নির্ভরতা থেকে মুক্ত হয়ে ইসলামের পতাকাতলে একতাবদ্ধ হওয়া।