ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মার্কিন সংবিধান দিবস’ উদযাপিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মার্কিন সংবিধান দিবস’ উদযাপিত
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual1 Ad Code
আমেরিকান গণতন্ত্রের ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন অনুষদ ও ঢাকাস্থ আমেরিকা দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন ডে’ উদযাপন করা হয়েছে।
Manual8 Ad Code
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মার্কিন মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
Manual8 Ad Code
অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সূচনা হয়েছে উই দ্যা পিপল -এই সরল অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বাক্য দিয়ে। ১৭৮৭ সালের গ্রীষ্মে ফিলাডেলফিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রতিনিধিরা সমবেত হয়েছিলেন। বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য ও বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও তারা এমন একটি সাংবিধানিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে ক্ষমতার পৃথকীকরণ ও পারস্পরিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যাতে সম্পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও আইনের শাসনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। বিভিন্ন সাংবিধানিক নীতি ও ধারণা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাংবিধানিক কাঠামো ও আইনি ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করেছে।’
দিনব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে ছিল একটি উন্মুক্ত আলোচনা সভা, প্যানেল ডিসকাশন, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং ‘আমেরিকান ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্রদর্শনী। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ও সাংবিধানিক কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ ছাড়াও দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।