আজ বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাসেলসে বাংলাদেশ গণহত্যা দিবস পালিত

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২৫, ০৭:২৮ অপরাহ্ণ
ব্রাসেলসে বাংলাদেশ গণহত্যা দিবস পালিত

Manual4 Ad Code

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া ,
গত ২৫ মার্চ মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সামনে বাংলাদেশ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

এই সমাবেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার বিচার এবং আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবি করা হয় যে , যেখানে আনুমানিক ত্রিশ লক্ষ বাঙালি নিহত হন এবং দুই লক্ষেরও বেশি নারী নৃশংস সহিংসতার শিকার হন।

স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটি এক্টিভিস্টস, কর্মী, নেতা এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীদের দ্বারা আয়োজিত এই সমাবেশে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত নৃশংসতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের চলমান প্রচেষ্টা তুলে ধরা হয়।
প্রধান বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক এবং ওয়ার্ল্ড কাউন্সিল ফর পাবলিক ডিপ্লোমেসি অ্যান্ড কমিউনিটি ডায়ালগের সভাপতি অ্যান্ডি ভারমাউট এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের (এমইপি) প্রাক্তন সদস্য এবং দক্ষিণ এশিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোরামের সভাপতি পাওলো কাসাকা। তারা ঐতিহাসিক সত্য এবং অতীতের অন্যায় মোকাবেলায় বৃহত্তর ইউরোপীয় সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

Manual8 Ad Code

Manual5 Ad Code

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ডা. হাছান মাহমুদ, শহীদুল হক, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সভাপতি, মুর্শেদ মাহমুদ, গ্লোবাল সলিডারিটি ফর পিস (জিএসপি), হুমুন মাকসুদ হিমু, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি; বজলুর রশীদ, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বেলজিয়াম প্রবাসী বাঙালিরা। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন বাঙালি সম্প্রদায়ের নেতা আতিকুজ্জামান চৌধুরী, মানওয়ার আহমেদ, রফিক রামুজ, স্বপ্না দেব, দিলরুবা বেগম ও ডেইজি আক্তার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বেলজিয়াম আওয়ামী যুবলীগের সম্পাদক খালেদ মিনহাজ, রানা মরতুজা, নাশাত তাবাসসুম (মৌরি), মাহমুদ মাহির, মাহজাবীন সুরাইয়া এবং মাস্টার আহিয়ান আরহাব (আমির) প্রমুখ।

Manual5 Ad Code

বক্তারা বলেন ইতিহাস মুছে ফেলা রোধে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির তাৎপর্য তুলে ধরেন। ১৯৭১ সালের গণহত্যার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সভাপতির কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সমসাময়িক উদ্বেগের কথাও তুলে ধরা হয় , যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক বিভাজন এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা । বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন, বিশেষ করে ইইউ থেকে, অপরিহার্য।

গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স এবং ফান্ডামেন্টাল রাইটস মুভমেন্ট পোস্টভার্সার মতো সংগঠনগুলির নেতৃত্বে প্রচারণা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি এবং ন্যায়বিচারের জন্য জোর দিচ্ছে। সমাবেশটি একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়ে শেষ হয়েছে যে পাকিস্তানকে অবশ্যই নৃশংসতায় তার ভূমিকা স্বীকার করতে হবে এবং ইইউকে স্বীকৃতির জন্য সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।

Manual6 Ad Code