মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ড. খলিলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ড. খলিলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
কূটনৈতিক প্রতিবেদক:
অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র।
সূত্র আরও জানায়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের পলিটিকাল কাউন্সেলর এরিক গিলান এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
Manual1 Ad Code
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় বৈঠকটি শুরু হয় এবং তাদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে আলোচনা। পরে নিরাপত্তা উপদেষ্টার বৈঠক শেষে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশের ওপর চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব কমানো, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
Manual2 Ad Code
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই দ্রুতগতিতে বিভিন্ন স্তরে সক্রিয় হয়েছেন। গেল ১৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশের পর থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের নানা পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন তিনি। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন নিয়ে তাদের মনোভাব এবং ক্ষমতায় গেলে কীভাবে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখবে, এ নিয়ে আলোচনা করেন।
এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের চীন-সংক্রান্ত মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকার চীনা দূতাবাস।
চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানান, যেটি চীনা দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে।
Manual4 Ad Code
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ব্যাপক প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ ও কিছু ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে বাংলাদেশকে জানানোর বিষয়ে উল্লেখ করা হয় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্রের বিবৃতিতে।
Manual1 Ad Code
এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এসব বক্তব্য সঠিক ও ভুলের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং এগুলো সম্পূর্ণভাবে অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিবৃতিতে এ-ও বলা হয়, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতা একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং এতে মার্কিন পক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ বা নাক গলানোর সুযোগ নেই। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।