অবৈধ বাংলাদেশিদের’ দ্রুত পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
অবৈধ বাংলাদেশিদের’ দ্রুত পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
editor
প্রকাশিত মে ২৭, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual2 Ad Code
“তাদের জেলে বসিয়ে খাওয়াতে চাই না বা তাদের পেছনে জনগণের টাকা নষ্ট করতে চাই না। তারা ভারতীয়দের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ক্ষতি করছে।”
‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ দ্রুত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ছাড়তে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার শুভেন্দু দাবি করেছেন রাজ্যের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার হাকিমপুর চেকপয়েন্টে বিপুল সংখ্যক ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ জড়ো হয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের দ্রুত বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
Manual3 Ad Code
এদিন নদিয়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কর্মকর্তাদের নিয়ে কল্যাণীতে এক প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শুভেন্দু বলেন, সীমান্ত পয়েন্টে জড়ো হওয়া ওই ব্যক্তিরা ‘বাংলাদেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক’।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই এর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী চেকপয়েন্টে জড়ো হওয়া লোকরা সবাই ‘অবৈধ বাংলাদেশি’। তাদের উদ্দেশে তিনি হিন্দিতে বলেন, “জলদি জলদি ভাগো, নেহি তো জো করনা হ্যায় সরকার করেগা।” অর্থাৎ তাড়াতাড়ি চলে যাও, অন্যথায় সরকার যা করার তা-ই করবে।
‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “তাদের জেলে বসিয়ে খাওয়াতে চাই না বা তাদের পেছনে জনগণের টাকা নষ্ট করতে চাই না। তারা ভারতীয়দের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ক্ষতি করছে। আইন আগে থেকেই ছিল, কিন্তু ভোটব্যাংকের রাজনীতির কারণে কিছু মানুষ তা ব্যবহার করেনি। আমরা ভোটব্যাংকের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও রাজ্যের স্বার্থে এই আইন (নাগরিকত্ব সংশোধন আইন-সিএএ) কার্যকর করব।”
Manual4 Ad Code
এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেই রাজ্যে ‘বিতর্কিত’ সিএএ আইন কার্যকরের ঘোষণা দেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু। সে সময় ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের জন্য ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট (শনাক্ত, বাদ দেওয়া ও পুশ-ব্যাক’ নীতি নিতে পুলিশ প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষীদের বলেন তিনি।
এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় প্রত্যর্পণ বা প্রত্যাবাসনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আটক ‘বিদেশি’ এবং কারামুক্ত হওয়া বিদেশি বন্দিদের অস্থায়ীভাবে রাখার জন্য ‘আটক শিবির’ বা ‘আটককেন্দ্র’ স্থাপনেরও নির্দেশনা দিয়েছে।
এরইমধ্যে রাজ্যের প্রথম জেলা হিসেবে মালদা এই ধরনের একটি ‘আটক শিবির’ চালু করেছে। ইংলিশ বাজারের চন্দন পার্কে অবস্থিত এই শিবিরে বর্তমানে নারী ও শিশুসহ ৯ জন ‘সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে’ কড়া নিরাপত্তার মধ্যে গাজোলের পান্ডুয়া এলাকা থেকে এনে রাখা হয়েছে।