পাকিস্তান সীমান্তের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ভারত, ফের সংঘাতের শঙ্কা
পাকিস্তান সীমান্তের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ভারত, ফের সংঘাতের শঙ্কা
editor
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual7 Ad Code
পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় ‘অবৈধ’ সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত। বুধবার (২৭ মে) ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, পাকিস্তান সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা অনুমোদনহীন ভবন ভেঙে ফেলা হবে। সীমান্ত অপরাধ, অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকানোর অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপের ফলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সীমান্তের শূন্য থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন অমিত শাহ।
Manual8 Ad Code
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সব অননুমোদিত স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভারত বলছে, পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, মাদক চোরাচালান, অস্ত্র পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের মতো কার্যক্রম বাড়ছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
অমিত শাহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, দখলদারি এবং আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে অভিযান বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
পাকিস্তান সীমান্তঘেঁষা রাজস্থান সফরের সময় তিনি এই নির্দেশনা দেন।
উত্তেজনা বাড়ার শঙ্কা
Manual1 Ad Code
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক গত বছর থেকেই তীব্র উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে। ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে চার দিনের সংঘাত শুরু হয়েছিল। নিহতদের বেশির ভাগই ছিলেন হিন্দু পর্যটক।
ভারত ওই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করেছিল। তবে ইসলামাবাদ অভিযোগ অস্বীকার করে।
এরপর দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কূটনৈতিক পদক্ষেপ, আকাশ হামলা, ড্রোন হামলা এবং ভারী মর্টার গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়। এটিকে গত কয়েক দশকের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় সংঘাতগুলোর একটি হিসেবে দেখা হয়।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যার মধ্যে বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলের সীমান্তও অন্তর্ভুক্ত।
দুই দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে সীমান্তের ওপারে সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থনের অভিযোগ তোলে। তবে উভয় পক্ষই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।