চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী
editor
প্রকাশিত মে ৩০, ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual2 Ad Code
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কোনো সমঝোতা বা নতুন চুক্তি না হলে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মার্কিন ও ইরানি কূটনীতিকরা দীর্ঘদিনের নীতিগত মতপার্থক্য কাটিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দিলেন পেন্টাগন প্রধান।
Manual4 Ad Code
সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ার শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলন ‘শাংরি-লা ডায়ালগ’-এ হেগসেথ বলেন, ‘প্রয়োজনে পুনরায় হামলা শুরু করার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে… আমরা এ বিষয়ে যথেষ্ট সমর্থ।’
হেগসেথের এই মন্তব্যকে ইরানের প্রতি চাপ বজায় রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে আলোচনায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হলে সামরিক বিকল্প যে এখনও টেবিলে রয়েছে, সেই বার্তাই স্পষ্ট করা যায়।
Manual6 Ad Code
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অস্ত্রের মজুত তার জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত, সেখানেও (মধ্যপ্রাচ্য) এবং বিশ্বজুড়েও; তাই আমরা খুব ভালো অবস্থানে রয়েছি।’
নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতের এই সম্মেলনে হেগসেথ স্পষ্ট করেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লেও যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ওপর থেকে তাদের মনোযোগ সরিয়ে নেয়নি।
তিনি বলেন, ‘আমরা একই সাথে দুটি কাজ করতে পারি। আমরা আমাদের প্রতিরক্ষা শিল্প খাতকে অত্যন্ত শক্তিশালী করছি যাতে আমরা খুব শিগগিরই দ্বিগুণ, তিনগুণ বা চারগুণ বেশি গোলাবারুদ তৈরি করতে পারি, যার ফলে বিশ্বজুড়ে আমাদের সমস্ত অপারেশনাল পরিকল্পনাগুলো সঠিকভাবে অর্থায়ন পায়।’
পেন্টাগন প্রধান বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত ‘ধৈর্য’ ধরছেন এবং তিনি এমন একটি ‘চমৎকার চুক্তি’ করতে চান যা নিশ্চিত করবে যে ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।
এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধ অবসানের একটি প্রস্তাবের বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে তিনি হোয়াইট হাউসের একটি নিরাপদ কক্ষে বৈঠকে বসবেন। ওই প্রস্তাবে গত এপ্রিলের শুরুতে নেওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যাতে আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়।