শি জিনপিংকে লালগালিচায় বরণ করে নিতে অপেক্ষায় ট্রাম্প
শি জিনপিংকে লালগালিচায় বরণ করে নিতে অপেক্ষায় ট্রাম্প
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual1 Ad Code
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানাতে ওয়াশিংটনে অভূতপূর্ব আয়োজন করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। প্রায় এক দশক পর শি জিনপিংয়ের এই মার্কিন সফর ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের তৃতীয় দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। অ্যান্ড্রুজ বিমানঘাঁটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে গিয়ে অভ্যর্থনা জানাবেন। হোয়াইট হাউসে প্রায় ৫০০ সামরিক সদস্যের উপস্থিতিতে সামরিক ফ্লাইওভার, জমকালো নৈশভোজ আর প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
Manual7 Ad Code
এশিয়া ট্রাস্টের গবেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মিত্র দেশকেও এমন সামরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক আনুষ্ঠানিকতা দেওয়া হয়নি। চীন প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া সত্ত্বেও এত বড় আয়োজন নজিরবিহীন।
এই বৈঠকের মূল ইস্যু মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া বাণিজ্য চুক্তি। ২০১৫ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্প-শি বৈঠকের পর ওয়াশিংটন অতিরিক্ত শুল্ক স্থগিত করেছিল আর বেইজিং বিরল খনিজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল। সেই চুক্তির মেয়াদ এ বছরের নভেম্বরে শেষ হচ্ছে। বাণিজ্য ঘাটতি ৯১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এবং কৃষি ও অ-শুল্ক বিষয়ে সাধারণ পরিষদের ফাঁকে হওয়া বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় নতুন চুক্তি নবায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর কঠোর মনোভাব ধরে রাখতে চাইলেও চীন আমেরিকান ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী।
Manual8 Ad Code
বাণিজ্যের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিযোগিতাও আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে। সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ ও এআই-এর ওপর বৈশ্বিক বিরতির চুক্তি চাইলেও ট্রাম্প এআই ক্ষেত্রে চীনকে হারানোকে আমেরিকার অর্থনৈতিক ও বিশ্ব ক্ষমতার মূল হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। তবুও দুই পক্ষ কিছু সহযোগিতার জায়গা খুঁজে পেতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
Manual5 Ad Code
তাইওয়ান ইস্যুও গুরুত্বপূর্ণ। কংগ্রেসে পাস হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলারের তাইওয়ান অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবে ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সই করেননি। একে চীনের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছেন তিনি। চীন তাইওয়ানকে নিজ ভূখণ্ডের অংশ মনে করে। শি জিনপিং এই সফরে ট্রাম্পের কাছ থেকে অস্ত্র বিক্রি বিলম্বিত বা বাতিলের প্রতিশ্রুতি আশা করছেন। যদিও ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা ও সমর্থকদের বড় অংশ চীনের প্রতি সন্দিহান, ট্রাম্প নিজে দুই পরাশক্তির মধ্যে সংঘাত এড়িয়ে চলতে চান।