আজ শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’: চীনা দূতাবাস

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ণ
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’: চীনা দূতাবাস

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততার ‘ঝুঁকি’ নিয়ে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ হিসেবে অভিহিত করেছে চীনা দূতাবাস।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকায় চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বলেছেন, “বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রদূতের এমন বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই ধরনের কথা সত্য-মিথ্যাকে গুলিয়ে ফেলে এবং সম্পূর্ণরূপে গোপন উদ্দেশ্য প্রণোদিত।”

Manual2 Ad Code

বুধবার ঢাকায় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে মতবিনিময়ে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, তা তিনি স্পষ্টভাবে অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে তুলে ধরবেন।

Manual3 Ad Code

তাকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, “(সেনেটের) শুনানিতে আমি যেমন বলেছিলাম, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে।

“বাংলাদেশে আমি সব বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব, সেটা অন্তর্বর্তী সরকার বা নতুন নির্বাচিত সরকার হোক। এখানে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে যুক্ততায় ঝুঁকির যে বিষয়টি রয়েছে, সেটা আমি স্পষ্টভাবে তুলে ধরব।”

Manual8 Ad Code

তার এই বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব হিসেবে নিজেদের কড়া প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছে চীনা দূতাবাস।

দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, “কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫০ বছরে চীন ও বাংলাদেশ সবসময় একে অপরকে সহযোগতিা করেছে। একে অন্যকে সমান হিসেবে বিবেচনা করেছে এবং দুপক্ষের জন্য উপকারী সহযোগিতায় যুক্ত থেকেছে।

Manual1 Ad Code

“চীন-বাংলাদেশের সহযোগিতা দুদেশের জনগণের জন্য উপকার বয়ে এনেছে এবং বিপুল সমর্থন পেয়েছে তাদের। এটা এই অঞ্চলে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক।”

তিনি বলেন, “চীন ও বাংলাদেশের সহযোগিতা দুদেশ ও জনগণের বিষয় এবং এখানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হস্তক্ষেপ বা আঙ্গুল তোলার সুযোগ নেই।

“আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে তার দায়দায়িত্ব সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়ার এবং বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার পাশাপাশি এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও সহযোগিতার জন্য সহায়ক এমন কাজের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”