জাবিসাসের ‘পাঁতানো নির্বাচন’ স্থগিতের দাবি, উপাচার্যকে চার সদস্যের চিঠি
জাবিসাসের ‘পাঁতানো নির্বাচন’ স্থগিতের দাবি, উপাচার্যকে চার সদস্যের চিঠি
editor
প্রকাশিত মার্চ ১১, ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
নাজমুল হাসান,জাবি প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) ২০২৬ সালের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন স্থগিতের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষকের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন সংগঠনটির চার সদস্য।
সোমবার (৯ মার্চ) দেওয়া ওই চিঠিতে জাবিসাসের সদস্য ও সমকালের প্রতিনিধি তারেক হোসেন, সময়ের আলোর প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান সাগর, দ্য ডেইলিস্টারের প্রতিনিধি সাকিব আহমেদ ও বিডিনিওজ২৪.কম এর আরিফুর রহমান অভিযোগ করেন, সদ্য প্রকাশিত সদস্য ও সহযোগী সদস্যদের তালিকায় বেশ কিছু গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, কয়েকটি অনিবন্ধিত ও তুলনামূলকভাবে অল্পপরিচিত গণমাধ্যম—বিপ্লবী বার্তা, ব্রেকিংনিউজ.কম, ঢাকা টুডে.কম, দৈনিক মুক্ত সমাচার, ইনসাইট ঢাকা ও নিউজ ভিশনের প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ মূলধারার কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সদস্য তালিকায় রাখা হয়নি।
তাদের অভিযোগ, দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি রিফাত বিন নুর, টাইমস অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে. এম. জাদিদ বিন খালিদ এবং বাংলাদেশ টুডের প্রতিনিধি নাজমুল হাসান সিয়াম সদস্যপদের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া এবং সব মানদণ্ড পূরণ করলেও তাদের সদস্য করা হয়নি।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বিতর্কিত সদস্য তালিকা প্রকাশের এক দিনের মাথায় নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, এতে সাংবাদিক সংগঠনের আড়ালে একটি গুপ্ত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর স্বার্থে একটি ‘পকেট কার্যকরী কমিটি’ গঠনের চেষ্টা চলছে।
এ অবস্থায় বিতর্কিত ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নির্বাচন আয়োজন করলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং সংগঠনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে উল্লেখ করেন তারা। এছাড়াও বর্তমান তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময় রবিবার রাত ৯ টা থাকলেও বর্তমান সভাপতি মেহেদী মামুনের হস্তক্ষেপে প্রার্থীরা উপস্থিত থাকলেও তা একদিন বাড়িয়ে সোমবার সকাল ১১ টা করা হয়।
Manual1 Ad Code
এ কারণে আগামী ১০ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাবিসাসের কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন অবিলম্বে স্থগিত করতে উপাচার্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
Manual6 Ad Code
চিঠির অনুলিপি জাবিসাসের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ছালেহ আহাম্মদ খান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. নাহিদ আখতারসহ সংশ্লিষ্টদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, তিনি এ ব্যাপারে জাবিসাসের নেতৃবৃন্দ, নির্বাচন কমিশন, ও উপদেষ্টার সাথে শলা পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিবেন।