আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ভারত

editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়া কাপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ভারত

Manual1 Ad Code

ক্রীড়া ডেস্ক:

চাপের মধ্যেও নিজের উপর ভরসা রেখেছিলেন তিলক বর্মা। বল দেখে খেলেছেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিলক। জয়ের নায়ক তিনি।

Manual1 Ad Code

তিনি যখন ব্যাট করতে নামেন তখন চার ওভারে ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ভারত। ফিরে গিয়েছেন এশিয়া কাপে ফর্মে থাকার অভিষেক শর্মা ও শুভমন গিল। আউট অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও। তখনও জিততে দরকার ১২৭ রান। সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন তিলক বর্মা। চাপের মধ্যেও নিজের উপর ভরসা রেখেছিলেন তিলক। বল দেখে খেলেছেন। প্রথমে সঞ্জু স্যামসন ও তার পর শিবম দুবের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে অপরাজিত থেকেছেন। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিলক। জয়ের নায়ক তিনি।

পাকিস্তানকে ৫ উইকেটের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে এশিয়া কাপের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আগে ব্যাট করে ১৪৬ রানে অল আউট হয় পাকিস্তান। ভারত সেই লক্ষ্য পেরিয়ে গেছে ৫ বল হাতে রেখেই। অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস খেলে ভারতের জয়ের নায়ক তিলক ভার্মা।
পাকিস্তানের দেয়া মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। ১০ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায় তারা। পাওয়ার প্লে শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩৬ রান। চতুর্থ উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়ে ভারতের ইনিংস টানছিলেন সাঞ্জু স্যামসন ও তলক ভার্মা। এই দুজনের ৫৭ রানের জুটি ভাঙেন আবরার আহমেদ।

Manual1 Ad Code


এই স্পিনারের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়েছেন ফারহানকে। স্যামসন আউট হয়েছেন ২১ বলে ২৪ রান করে। এরপর দেখেশুনে খেলে ভারতকে স্বস্তির জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান তিলক ও শিভম দুবে। শেষদিকে দুবে ২২ বলে ৩৩ রান করে ফিরলেও ভারতকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিলক।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় ভারত। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় পাকিস্তান ওপেনিং জুটিতেই তারা তোলে ৮৪ রান। এমন শুরুর পরও পাকিস্তানের ইনিংস ধ্বংসস্তূপ হতে সময় নেয়নি। শুরুতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধোনা করে মাত্র ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ফারহান।

হাফ সেঞ্চুরির পথে দুটি ছক্কা ও ৫টি চার মারেন পাকিস্তানের এই ওপেনার। ৩৮ বলে ৫৭ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর শিকার হয়ে ফিরেছেন ফারহান। তিনি ক্যাচ দেন তিলককে। আর তাতেই দলীয় ৮৪ রানে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙে। বরুণের বলে পুল করেছিলেন ফারহান। তবে ব্যাটে বলে করতে পারেননি তিনি। সোজা ক্যাচ দেন ডিপে ফিল্ডিং করা তিলককে।

Manual7 Ad Code

Manual2 Ad Code

এরপর ফখর জামানকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি সাইম আইয়ুব। এবারের এশিয়া কাপে বাজে ফর্মে থাকা এই পাকিস্তানি ব্যাটার ১১ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন। কুলদীপ যাদবের বলে ব্যাকফুটে খেলতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে জসপ্রিত বুমরাহর হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। মোহাম্মদ হারিসও ব্যর্থ হয়েছেন।

২ বলে কোনো রান না করেই আউট হন তিনি। অক্ষর প্যাটেলের বলে ডিপে উড়িয়ে মারতে গিয়ে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। ফখরকে আউট করেছেন বরুণ। এই স্পিনারের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে কুলদীপকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৫ বলে ৪৬ রানের ইনিংস। দ্রুত আউট হয়েছেন হুসাইন তালাতও।


অক্ষর প্যাটেলের বলে টপ এজ হয়ে সাঞ্জু স্যামসনকে ক্যাচ দেন এই পাকিস্তানি ব্যাটার। আর তাতেই ১৩১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে পাকিস্তান। পাকিস্তান তাদের বাকি ৫ উইকেট হারিয়েছে ১৫ রানের মধ্যে। আর তাতেই দেড়শর আগে গুড়িয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। পাকিস্তানের ইনিংসে সবচেয়ে বড় ধস নামিয়েছেন কুলদীপ। তিনি একাই নিয়েছেন ৪ উইকেট। আর ২টি করে উইকেট নেন বুমরাহ, বরুণ ও অক্ষর।