চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩০
চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৩০
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
Manual5 Ad Code
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
Manual4 Ad Code
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।