আজ শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আজ থেকে মাঠে থাকবে বিভিন্ন বাহিনীর ১০ লাখ সদস্য

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ণ
সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আজ থেকে মাঠে থাকবে বিভিন্ন বাহিনীর ১০ লাখ সদস্য

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মাঠে নামছে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য।

Manual7 Ad Code

এছাড়া আজ থেকে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ভোটের মাঠে থাকবেন ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে মাঠে নামছেন তারা।

ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে এবং স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানাভিত্তিক কাজ করবে। আর উপকূলীয় এলাকার জন্য কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে।

Manual1 Ad Code

আরও বলা হয়, সব বাহিনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করবে। এছাড়া তার নির্দেশ এবং পরামর্শ অনুসারে সবার দায়িত্ব পালন করবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ থেকে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্যের নির্বাচনি দায়িত্বে থাকার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ জন সদস্য। এছাড়া নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্টগার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‍্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ এবং আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর বাইরে ১ হাজার ৯২২ জন বিএনসিসি ক্যাডেট এবং ৪৫ হাজার ৮২০ জন গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার ও দফাদার) দায়িত্ব পালন করবেন।

জানা গেছে, এ নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সারা দেশে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭-১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। আর মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে পুলিশ ও আনসারের ১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন থাকবেন। দুর্গম ঘোষিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুদিন আগ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

Manual3 Ad Code

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে। রবিবার থেকে আরও যুক্ত হবে। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে ও পরে সাত দিন থাকবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা সবাই বলেছে, মাঠের অবস্থা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভালো এবং নির্বাচনের জন্য সহায়ক আছে।

Manual3 Ad Code

এ সময় তিনি আরও বলেন, সব ব্যালট বাক্স জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে। রিটার্নিং অফিসাররা সেগুলা গ্রহণ করছে। এখন সবাই ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

শুক্রবার ইনকলাব মঞ্চের আন্দোলন নির্বাচনের পরিবেশে কোনও প্রভাব পরেছি কিনা, এ নিয়ে আপনারা চিন্তিত কিনা জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, না, আমরা ওটাকে চিন্তিত মনে করি না। তবে নির্বাচনের যেহেতু আর দুই-চার দিন বাকি আছে, তাদের দাবি দাওয়া থাকতেই পারে। তারা যেন নির্বাচনের স্বার্থে এই দাবি দাওয়াগুলো আপাতত বন্ধ রাখে। এটা আমরা আহ্বান জানাই। আমরা মনে করি নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে।