আজ শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে চীনা অধ্যাপকের শেষ ভবিষ্যদ্বাণীও কি মিলে যাবে?

editor
প্রকাশিত মার্চ ৬, ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ইরান যুদ্ধ নিয়ে চীনা অধ্যাপকের শেষ ভবিষ্যদ্বাণীও কি মিলে যাবে?

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নিজের কিছু ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য আলোচনায় এসেছেন ইউটিউব চ্যানেল ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রির’ সঞ্চালক অধ্যাপক জুয়েকিন জিয়াং।

প্রথম দুটি মিলে যাওয়া এই অধ্যাপকের তৃতীয় ভবিষ্যদ্বাণী হলো, চলমান যুদ্ধে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হেরে যাবে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়, চীনা বংশোদ্ভূত এই কানাডীয় শিক্ষাবিদ ২০২৪ সালে একটি অনলাইন লেকচারের সময় এসব ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, যেটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

Manual2 Ad Code

তার ভবিষ্যদ্বাণীর প্রথমটি ছিল, ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ক্ষমতায় ফিরবেন; দ্বিতীয়টি ছিল তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবেন।

Manual6 Ad Code

তার এই দুটি ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হয়েছে, তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা তাকে ‘চীনা জ্যোতিষী’ বলে ডাকতে শুরু করেছেন।

কে এই জিয়াং জুয়েকিন?

বেইজিংয়ে দর্শন ও ইতিহাস পড়ান এই অধ্যাপক। ইয়েল কলেজ থেকে স্নাতক করা এই শিক্ষক কর্মজীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন চীনে শিক্ষা সংস্কার এবং পাঠ্যক্রম প্রণয়নের কাজে।

এর বাইরে জিয়াং তার ইউটিউব প্রজেক্ট ‘প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রির’ মাধ্যমে অনলাইনে বড় একটি অনুসারী তৈরি করেছেন।

নিজের লেকচারগুলোতে তিনি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, ভূ-রাজনৈতিক প্রণোদনা এবং গেম থিওরি বিশ্লেষণের মাধ্যমে বৈশ্বিক ঘটনাবলীর আভাস দেওয়ার চেষ্টা করেন।

Manual5 Ad Code

তার পদ্ধতিটি মূলত আইজ্যাক আসিমভের ‘ফাউন্ডেশন’ উপন্যাসের কাল্পনিক ‘সাইকোহিস্ট্রি’ দ্বারা অনুপ্রাণিত, যেখানে দীর্ঘমেয়াদী ঐতিহাসিক ধরণ ব্যবহার করে ভবিষ্যতের আভাস দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের মে মাসে রেকর্ড করা ওই লেকচারে জিয়াং যুক্তি দিয়েছিলেন, ট্রাম্প যদি ক্ষমতায় ফিরে আসেন, তবে ভূ-রাজনৈতিক চাপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

তিনি বলেছিলেন, এ ধরনের সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে।

Manual7 Ad Code

যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন, ইরানের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জনসংখ্যা যেকোনো দীর্ঘস্থায়ী দখলদারিত্বকে অত্যন্ত কঠিন করে তুলবে।

“পাহাড়ি ভূখণ্ড ও শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ মার্কিন বাহিনীর প্রাথমিক সামরিক সাফল্যকে খুব দ্রুত কৌশলগত ব্যর্থতায় রূপান্তর করতে পারে।”

তথ্য সুএঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর