শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নির্ধারিত হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আপাতত সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর (সরাসরি) পাঠদানের প্রস্তাব সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একদিন অনলাইনে ক্লাস হলে পরের দিন সশরীর ক্লাস হবে। তবে অনলাইনে ক্লাসের সময়ও শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে এবং সব ধরনের ব্যবহারিক ক্লাস সশরীরেই অনুষ্ঠিত হবে। এই মিশ্র পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো।
Manual8 Ad Code
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাস কার্যকর করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা। তাদের মতে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী শ্রমজীবী ও দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় সবার পক্ষে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হওয়া অসম্ভব। করোনাকালীন অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা জানান, সে সময়ও অনেক শিক্ষার্থীকে অনলাইনের আওতায় আনা যায়নি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রও এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে জানিয়েছে, বিদ্যালয় খোলা রেখেই বিকল্প কোনো উপায়ে সমস্যার সমাধান করা যায় কি না, তা নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছে।
Manual3 Ad Code
উল্লেখ্য, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ৪০ দিনের ছুটি শেষে গত ২৯ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। এরই মধ্যে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানিসংকট প্রকট হওয়ায় সরকার সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রেখেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। আগামী বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান পরিষ্কার করবে।