আমদানি বাড়লেও কমছে না চালের দাম। এক মাসের ব্যবধানে ডিসেম্বর ৬৪৫ শতাংশ বেড়েছে চালের আমদানি। আর বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ৩১ হাজার ৩২৬ শতাংশ। এরপরও বাজারে অস্থিরতা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে চালের ঘাটতি নেই। সরকারের চালের মজুত, স্থানীয় উৎপাদন ও সংগ্রহে ঘাটতি নেই। আমনের ভরা মৌসুম চলছে; এখন চালের দাম বেড়ে যাওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই। সাময়িক মজুতদারির কারণে চালের দাম বেড়েছে বলে মত তাদের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ৫৫ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। আগের মাস নভেম্বরে চাল আমদানি হয়েছিল মাত্র ৭ হাজার ৫০৭ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে চালের আমাদানি বেড়েছে ৬৪৫ শতাংশ। আর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চাল আমদানি হয়েছিল মাত্র ১৭৮ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চালের আমাদানি বেড়েছে ৩১ হাজার ৩২৬ শতাংশ। এরপরও বাজারে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে।
Manual6 Ad Code
শুধু চাল নয়, রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশে ডাল, পেঁয়াজ, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা ও খেজুরের আমদানি ব্যাপক হারে বেড়েছে। বিদায়ি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে দেশে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালে ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭২ মেট্রিক টন। এছাড়া বিদায়ি বছর ডাল আমদানি করা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন। আগের বছরে ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন।
২০২৪ সালে ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫ মেট্রিক টন, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৪ মেট্রিক টন। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে দেশে ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে ১৬ লাখ ৪২ হাজার ২৪৬ মেট্রিক টন।
তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে চিনি আমদানি আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চিনি আমদানি করা হয়েছে ৫ লাখ ৬১ হাজার ৬২৩ মেট্রিক টন। আগের বছরের একই সময়ে দেশে চিনি আমদানি করা হয়েছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৮৮২ মেট্রিক টন।
Manual3 Ad Code
রমজান মাস সামনে রেখে চাহিদা বাড়ায় চলতি অর্থবছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ছোলা আমদানি করা হয়েছে ২৬ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন।
Manual1 Ad Code
ইফতারের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য খেজুর আমদানি এ সময় প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ডিসেম্বরে আমদানিকারকরা দেশে ২ হাজার ১৮৬ মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করেছেন। নভেম্বরে যা ছিল ৬৫৪ মেট্রিক টন।ভ