মৌলভীবাজারে প্রতিবেশী কর্তৃক কিশোরী ধর্ষিত গর্ভপাতের ঘটনায় সুরগুল
মৌলভীবাজারে প্রতিবেশী কর্তৃক কিশোরী ধর্ষিত গর্ভপাতের ঘটনায় সুরগুল
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
Manual1 Ad Code
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নে এক কিশোরী (মাদরাসা ছাত্রী) ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ভিকটিম বর্তমানে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় মৌলভীবাজার ২৫০শয্যা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
Manual8 Ad Code
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভিকটিম কিশোরী দীর্ঘ দিন ধরে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নে তার খালার বাড়িতে বসবাস করে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে আসছিল। গত (১২ই জানুয়ারি) সম্পর্কে মামা ছমছু মিয়া (৫৫) (পিতা- মৃত মছদ্দর আলী), ভিকটিমকে গৃহস্থালির কাজে সহায়তার কথা বলে তার ঘরে ডেকে নেয়। ঘরে প্রবেশ করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি দরজা বন্ধ করে দেয় এবং কিশোরীর মুখে চেপে ধরে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে।
ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ায় ভয়ে ওই কিশোরী বিষয়টি কাউকে না বলে গোপন রাখে। কিন্তু ঘটনার ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
Manual2 Ad Code
গত (২৪শে এপ্রিল) ওই কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও গর্ভপাতের ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার (২৫শে এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে স্বজনরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার ২৫০শষ্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে ধর্ষণের আলামত ও গর্ভপাতের কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।
Manual4 Ad Code
ভিকটিমের স্বজনরা জানিয়েছেন, কিশোরীটি চোখের সমস্যার জন্য সম্প্রতি একটি চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলো। তাদের ধারণা, সেই চিকিৎসার ঔষধ সেবনের প্রতিক্রিয়ায় এই গর্ভপাত ঘটে থাকতে পারে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসকরা ধর্ষণের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করছেন।
ভিকটিম কিশোরী মৌলভীবাজার সদর থানাধীন আমতৈল এলাকার বাসিন্দা হলেও ছোটবেলা থেকেই রাজনগরের টেংরা ইউনিয়নে তার খালার বাড়িতে থেকেই তার বেড়ে উঠা এবং সেই সুবাধে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত।
বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানলে পরে ডাক্তারের পরামর্শে অভিযুক্তকে কৌশলে হাসপাতাল পর্যন্ত আনানোর ব্যবস্থা করুন।কথামত স্বজনরা অভিযুক্ত ছমছু মিয়াকে হাসপাতালে পৌঁছা মাত্র সদর থানা পুলিশকে অবহিত করলে তাকে আটক করে রাজনগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে রাজনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোর্শেদুল হাসান খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান রাতেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মৌলভীবাজার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।