রোমাঞ্চকর ও শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মানি (পিএসজি)।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং এরপর আরও ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল জয়সূচক গোল না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে আর্সেনালের হয়ে পঞ্চম ও শেষ শটটি মিস করেন গ্যাব্রিয়েল, যার ফলে অবসান ঘটে এই টানটান উত্তেজনার লড়াইয়ের।
Manual5 Ad Code
টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে আর্সেনালের পক্ষে দ্বিতীয় শটে গোল করতে ব্যর্থ হন এবারোচি এজে, তার নেওয়া শটটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। তবে পিএসজির নেওয়া তৃতীয় শটটি রুখে দেন গানার্স গোলরক্ষক ডেভিড রায়া, যেখানে তিনি নুনো মেন্দেসের প্রচেষ্টা নস্যাৎ করেন। এরপর ডেক্লান রাইস নিজের দলের পক্ষে তৃতীয় শট সফলভাবে জালে জড়িয়ে ইংলিশ ক্লাবটিকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখেন।
Manual5 Ad Code
Manual2 Ad Code
এর আগে মূল ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত এক আক্রমণ দিয়ে। মিডফিল্ডে বল পেয়ে কাই হাভার্টজ প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নেন। এরপর প্রতিহত হয়ে ফিরে আসা বল নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। এই ওপেনিং গোলের মাধ্যমে তিনি ম্যাচের খাতা খোলেন। ২০২১ সালে চেলসির হয়ে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে জয়সূচক গোল করার পর এটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে হাভার্টজের দ্বিতীয় গোল।
Manual8 Ad Code
ইউরোপের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগের দল আর্সেনাল তাদের গোলপোস্ট সুরক্ষিত রাখতে ম্যাচের ৯০ মিনিট জুড়েই দুর্দান্ত পারফর্ম করে এবং বেশ কয়েকটি চমৎকার স্লাইড ট্যাকল প্রদর্শন করে। তবে ম্যাচের ৬৪ মিনিটে একটি পেনাল্টি পিএসজিকে সমতায় ফেরার সুযোগ করে দেয়। ডি-বক্সের ভেতরে খিচা কভারাতসখেলিয়াকে ক্রিস্টিয়ান ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে ওসমানে ডেম্বেলে গোল করে স্কোরলাইনে সমতা আনেন, যার ফলে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ের তীব্র উত্তেজনায় রূপ নেয়।