প্রথম গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে জুড বেলিংহামের গোলে বিরতির আগেই সমতা ফেরায় ‘থ্রি লায়ন্স’রা। এরপর আর কোনো গোল না হলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে আবারও ঝলক দেখান বেলিংহাম। তার জোড়া গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
শুরু থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ইংল্যান্ডের হাতে। বেশ কিছু আক্রমণে নরওয়ের ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখে ইংলিশ ফরোয়ার্ডরা। তবে স্রোতের বিপরীতে ৩৬ মিনিটে গোল খেয়ে বসে তারা। দারুণ এক শটে দূরের পোস্ট ঘেঁসে বল জালে জড়ান আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।
এরপর ম্যাচে সমতা আনতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে সমতা এনে দেন জুড বেলিংহাম। এতে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।
Manual3 Ad Code
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় নরওয়ে। তবে হলান্ডের ফাউলের কারণে মনিটরে দেখে গোলটি বাতিল করেন রেফারি।
ম্যাচের ৭৫ মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় ইংল্যান্ড। নরওয়ে একটি কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে এসেছিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। কিন্তু তার ক্লিয়ার করা বল আবারও নরওয়ের খেলোয়াড়দের কাছেই ফিরে যায়। সেখান থেকে নেওয়া হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো না হলে ১–১ সমতায় শেষ হয় ইংল্যান্ড–নরওয়ের ৯০ মিনিটের খেলা।
৯৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন বেলিংহাম। মরগান রজার্সের শট নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিলান্ডের হাত ফসকে যায়। এরপর বল পেয়ে তা জালে জড়ান এই ইংলিশ মিডফিল্ডার।
Manual2 Ad Code
এগিয়ে যাওয়ার পর পরই পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। তবে মনিটরে দেখে তা বাতিল করে দেন রেফারি। দলকে লিড নিয়ে দিয়ে ম্যাচের ১১১ মিনিটে মাঠ ছাড়েন বেলিংহাম। তার বদলি হিসেবে নামেন ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশরা।