আজ মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় ২ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে দুজনকে হত্যা, আতঙ্কে নগরবাসী

editor
প্রকাশিত জুন ৯, ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
পাবনায় ২ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে দুজনকে হত্যা, আতঙ্কে নগরবাসী

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

পাবনা শহরে সোমবার (৮ জুন) বিকেল ও সন্ধ্যায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত ও গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ায় শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একদিনে দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

Manual5 Ad Code

প্রথম ঘটনাটি ঘটে বিকেলের দিকে। শহরের টার্মিনাল এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মনিরুল (২১) নামের এক তরুণ নিহত হন।

Manual2 Ad Code

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে, হামলাকারী ওই ছেলের বোনের সাথে সম্পর্ক ছিল মনিরুলের। পূর্বের এই বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ ঘটনায় হামলাকারীরা প্রকাশ্যে মনিরুলকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ অবশ্য তৎক্ষণাৎ তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

Manual7 Ad Code

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা শহরের জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার সামনে হোসেন আলী (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত হোসেন আলী পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা এবং মাদ্রাসাটির স্টাফ ছিলেন। ঘটনার সময় তার মাদ্রাসাপড়ুয়া ছেলে সঙ্গে ছিল বলে জানা গেছে।

Manual4 Ad Code

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা হোসেন আলীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সংঘটিত এই দুই হত্যাকাণ্ডে নগরবাসীর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডগুলোর পেছনের মূল কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।তথ্য সুএঃ ঢাকা পোস্ট