বিদেশে বসে বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে চাইছেন শেখ হাসিনাঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বিদেশে বসে বক্তব্য দিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে চাইছেন শেখ হাসিনাঃ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual5 Ad Code
ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, তিনি বিদেশে থেকে এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন বলে তার ধারণা।
Manual6 Ad Code
সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, শেখ হাসিনা একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে তাকে কারাগারে যেতে হবে এবং পরবর্তী সব কার্যক্রম আইনি প্রক্রিয়াতেই সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, কোনো আসামি বিদেশে অবস্থান করে বক্তব্য দিলে সেটিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। তার মতে, এসব বক্তব্যের উদ্দেশ্য হতে পারে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় বা উৎসাহিত করা।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা বা আত্মসমর্পণ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। যেকোনো দেশের সঙ্গে বিদ্যমান কূটনৈতিক কাঠামোর মধ্য দিয়েই এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা হয়। এসব আলোচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিষয়টি উঠে আসে। তবে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি দেশের বাইরে থাকলেও তার বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন হবে না।
Manual7 Ad Code
শেখ হাসিনা কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন- এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি বাংলাদেশে এসে কিংবা বিদেশে বাংলাদেশের কোনো মিশনে আত্মসমর্পণ করলেও আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো পার্থক্য হবে না। আত্মসমর্পণের পর তাকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একজন আসামির বক্তব্যকে সরকার আমলে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া আগেই শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে নতুন করে কোনো প্রক্রিয়া শুরু করার প্রয়োজন নেই।