হবিগঞ্জে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী চারুকলা প্রদর্শনী, কর্মশালা ও প্রতিযোগিতা
হবিগঞ্জে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী চারুকলা প্রদর্শনী, কর্মশালা ও প্রতিযোগিতা
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্বপন কুমার সিং, নিজস্ব প্রতিবেদক :
Manual6 Ad Code
নবীন-প্রবীণ চিত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে হবিগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী চারুকলা প্রদর্শনী, কর্মশালা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি, হবিগঞ্জের যৌথ আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। পরে তিনি ফিতা কেটে আর্ট গ্যালারি উদ্বোধন করেন এবং প্রদর্শিত চিত্রকর্ম ঘুরে দেখেন।
প্রদর্শনীতে হবিগঞ্জের নবীন ও তরুণ শিল্পীদের আঁকা ৪৫০টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। ৩২০ জন নবীন ও তরুণ শিল্পীর এসব চিত্রকর্মে উঠে এসেছে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, দেশাত্মবোধ, জুলাই বিপ্লব, প্রকৃতি, পর্যটন ও জনজীবনের নানা অনুষঙ্গ।
উদ্বোধনের পর থেকেই নবীন-প্রবীণ চারুশিল্পী, শিল্পপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ।
আয়োজকেরা জানান, প্রদর্শনীটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
উৎসবের অংশ হিসেবে ২ ও ৩ অক্টোবর বিকেল ৪টায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং সন্ধ্যা ৬টায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে ওই দুই দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চারুকলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রশিক্ষণ দেবেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র আর্টিস্ট অভিজিৎ চৌধুরী।
এ ছাড়া ৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় ‘রং তুলিতে হবিগঞ্জের প্রকৃতি ও পর্যটন’ শীর্ষক দিনব্যাপী আর্টক্যাম্পের উদ্বোধন করা হবে। এতে হবিগঞ্জের ২৪ জন গুণী চারুশিল্পী অংশ নেবেন।
Manual3 Ad Code
একই দিন অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী চারুকলা প্রদর্শনী, কর্মশালা ও প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের।
Manual8 Ad Code
আয়োজকেরা আশা করছেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে হবিগঞ্জের নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের মধ্যে সৃজনশীল যোগাযোগ আরও জোরদার হবে এবং স্থানীয় শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে নতুন মাত্রা যোগ হবে।