আগামী ৬ থেকে ৮ মাসে ‘বড় কিছু’ ঘটতে পারে, দাবি রাহুল গান্ধীর
আগামী ৬ থেকে ৮ মাসে ‘বড় কিছু’ ঘটতে পারে, দাবি রাহুল গান্ধীর
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২, ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual3 Ad Code
আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে এমন কিছু ঘটতে পারে, যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চাপে ফেলবে বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিরোধী নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন বলে বৈঠকের সূত্র জানিয়েছে।
Manual8 Ad Code
বৈঠকে রাহুল গান্ধী বিরোধীদের আন্দোলনের গতি আরও বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর), নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের সূত্র দাবি করেছে, সরকারের ওপর আন্দোলনের চাপ আরও বাড়াতে হবে কারণ বর্তমান পদক্ষেপে সরকার ইতোমধ্যে উদ্বিগ্ন। তবে আগামী ছয় থেকে আট মাসে বড় কিছু ঘটার বিষয়ে তার এ বক্তব্যের পক্ষে কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
Manual2 Ad Code
ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশজুড়ে যৌথ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ২ থেকে ৮ অক্টোবর বিভিন্ন জেলায় ‘গণতন্ত্র রক্ষার পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৬ অক্টোবর বিরোধী সাংসদরা নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের দিকে মিছিল করবেন। বৈঠকে রাজ্যভিত্তিক রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও আলোচনা হয়, কারণ জোটের শরিক দলগুলো বিভিন্ন রাজ্যে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় সব জায়গায় একসঙ্গে আন্দোলন করা কঠিন হতে পারে। তবে রাহুলের অবস্থান ছিল, রাজ্যস্তরে মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা ইস্যুতে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার প্রসঙ্গও তোলেন রাহুল গান্ধী। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগের উদাহরণ হিসেবে তিনি দক্ষিণ কলকাতার কথা উল্লেখ করেন এবং সেখানে কী ঘটেছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে ইভিএমে কারচুপির এই অভিযোগ প্রমাণিত কোনো ঘটনা নয় এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিজের কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন রাহুল। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বিরোধী নেতাদেরও নিজেদের কাছে থাকা তথ্য পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীরা একমত হন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আন্দোলন আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।