মৌলভীবাজারে নাঈম হ-ত্যা মামলায় ৪ জনের মৃ’ত্যুদণ্ড ও ৫ জন খালাস
মৌলভীবাজারে নাঈম হ-ত্যা মামলায় ৪ জনের মৃ’ত্যুদণ্ড ও ৫ জন খালাস
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
রেডটাইমস ডেস্ক মৌলভীবাজার:
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বর্ষিজোড়া এলাকার রেজাউল করিম নাঈম হ-ত্যা মামলার চার আসামিকে মৃ:ত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রবিউল আউয়ালের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় ৫ জনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়।
মৃ-ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন- চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বর্ষিজোড়া এলাকার মো. নুরুল ইসলাম, মো. সাইমন ইসলাম, দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল ইসলামের ছেলে নাহিদুল ইসলাম রনি, আনোয়ার হোসেন। সাজাপ্রাপ্ত নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
Manual6 Ad Code
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- বর্ষিজোড়া এলাকার ইদন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া, নাজিরাবাদ ইউনিয়নের সাহিদ মিয়ার ছেলে আল আমিন, বর্ষিজোড়া এলাকার মো. রমিজ মিয়ার ছেলে সাকির আহমদ ওরফে শাকিল, দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নুরুল ইসলামের স্ত্রী পারভীন বেগম ও মেয়ে রুকশানা আক্তার।
Manual7 Ad Code
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে রেজাউল করিম নাঈমের উপর দেশীয় অ-স্ত্র নিয়ে হামলা চালায় আসামিরা। ধারালো ছু-রির আঘাতে ভিকটিম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে উদ্ধার করে প্রথমে মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন ৮ নভেম্বর সেখানে তার মৃ-ত্যু হয়। পরে এই ঘটনায় বাদী হয়ে ভিকটিমের পিতা মো. চেরাগ মিয়া পরদিন ৯ নভেম্বর মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।
পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৪ জনকে মৃ-ত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
Manual8 Ad Code
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। আসামিদের দণ্ড প্রদানে বাদীপক্ষসহ আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাড়বে। অপরাধীরা বুঝতে পারবে যে, অপরাধ করে আইনি সাজা থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আমরা প্রত্যাশা করি উচ্চ আদালত এ সাজা বহাল রাখবেন।
কলেজছাত্র নাঈমের বাবা চেরাগ মিয়া ও স্বজনরা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।