চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গতবছর গড় পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
Manual4 Ad Code
এ বছর ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১.৮০ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ। যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ। সিলেট বিভাগে পাসের হার ৫০.৯০ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ।
এ ছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯.৪৩ শতাংশ।
এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
এবার নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অবশ্য পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
Manual1 Ad Code
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
যেভাবে জানা যাবে ফল
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে
Manual2 Ad Code
https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের ‘Result’ কর্নারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর দিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের কমন ওয়েবসাইট দুটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এসএমএসের ফরম্যাট হলো– HSC লিখে একটি স্পেস, বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, একটি স্পেস, রোল নম্বর, একটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ হিসেবে, ঢাকা বোর্ডের কোনো পরীক্ষার্থীকে ‘HSC Dha 123456 2026’ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। এদিকে, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।