আজ শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেল নেবেন, অনলাইন নিবন্ধন করেছেন তো?

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
তেল নেবেন, অনলাইন নিবন্ধন করেছেন তো?

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

রাজধানীর অনেক পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও তেল পাওয়া গেলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা ও মজুতের প্রবণতা কমাতে সরকার চালু করতে যাচ্ছে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থা।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতিটি নিবন্ধিত যানবাহনের জন্য একটি কিউআর কোড তৈরি হবে। ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার সময় পাম্পকর্মী সেই কোড স্ক্যান করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সিস্টেমে যুক্ত হবে। এতে কে কখন কতটুকু জ্বালানি নিচ্ছেন, তা সহজেই নজরদারিতে রাখা যাবে।

এবার তেল নিতে লাগবে কিউআর ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’এবার তেল নিতে লাগবে কিউআর ডিজিটাল ‘ফুয়েল পাস’

Manual8 Ad Code

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনা ঠেকানো। সেই সাথে ফিলিং স্টেশনে ভিড় কমানো এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনা। প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেল দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রেজিস্ট্রেশন যেভাবে করবেন

Manual1 Ad Code

ডিজিটাল ফুয়েল পাস পেতে হলে ব্যবহারকারীকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। এ জন্য জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থাপনা সিস্টেমের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (fuelpass.gov.bd) প্রবেশ করতে হবে।

প্রথমে নিজের যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তথ্য যাচাই করতে হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজন হবে চ্যাসিস নম্বর, ইঞ্জিন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর এবং যানবাহনের উৎপাদনের বছর। সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে ‘যানবাহন যাচাই করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

Manual3 Ad Code

ড্যাশবোর্ডে থাকবে কিউআর কোড, জ্বালানি ব্যবহারের সীমা এবং পূর্বের লেনদেনের তথ্য।

তথ্য মিললে পরবর্তী ধাপে মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর ওটিপি (এককালীন পাসওয়ার্ড) যাচাই করে একটি পাসওয়ার্ড সেট করে নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।

ড্যাশবোর্ডে যা থাকবে

Manual5 Ad Code

নিবন্ধন শেষ হলে ব্যবহারকারী নিজের ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন। সেখানে তার যানবাহনের জন্য নির্ধারিত কিউআর কোড, জ্বালানি ব্যবহারের সীমা এবং পূর্বের লেনদেনের তথ্য দেখা যাবে।

জ্বালানি বিভাগ বলছে, এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতটুকু জ্বালানি নেওয়া যাবে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। নির্ধারিত সীমা শেষ হলে পরবর্তী নির্ধারিত সময়ের আগে আর জ্বালানি নেওয়া যাবে না।

যদিও এই ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবু আগেভাগে নিবন্ধন করে রাখলে ব্যবহারকারীরা দ্রুত এই সেবার আওতায় আসতে পারবেন।