কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
কারাগারে বন্দি সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিনকে আনা হয় আদালতে। শুনানি শেষে তাকে নেওয়া হচ্ছিলো আদালতের হাজতখানায়। নেওয়ার পথে আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থানরত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চান সাবেক এই সংসদ সদস্যা। তখনি তার মুখ চেপে ধরেন দায়িত্বে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
Manual1 Ad Code
আদালত সূত্রে জানা যায়, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। সেই মামলায় তুহিনসহ ৩০ জন কারাগারে রয়েছে। শুনানির জন্য কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।
Manual2 Ad Code
দুপুর ২টার দিকে মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পড়িয়ে তাদের ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ নেওয়া হয়। বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম শুনানির জন্য আগামী ২ মার্চের দিন ধার্য করেন। এরপর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে তুহিনসহ অন্যদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানার আনা হয়। এ সময় তুহিন কথা বলতে যান। তখন তার মুখ চেপে ধরেন এক নারী পুলিশ সদস্য। এর কিছুক্ষণ পরে প্রিজনভ্যানে করে নারী হাজতিদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তিনি। ১৪ অগাস্ট অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
Manual8 Ad Code
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা তার নেতাকর্মীদের কাছে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন। এ বক্তব্য সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।