চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক
চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৮টা থেকে চার দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ
দুদিন বিরতির পর রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে চার দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর।
তাদের দাবিগুলো হলো, বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এনসিটি ডিপিওয়ার্ল্ডকে লিজ না দেওয়ার ঘোষণা দিতে হবে। বন্দরে সংকটের প্রধান কারণ চেয়ারম্যান এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার করতে হবে। বিগত আন্দোলনে যেসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে বদলি, চার্জশিট, সাময়িক বরখাস্ত, পদাবনতিসহ নানা শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাতিল করে প্রত্যেক কর্মচারীকে বন্দরের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল করতে হবে। আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।
Manual1 Ad Code
সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, রবিবার আবারও সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব শ্রমিক-কর্মচারীকে ধর্মঘট পালন করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় সহায়তা করার আহ্বান জানাচ্ছি। ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বন্দরের বহির্নোঙরও। বহির্নোঙরে কোনও কাজ চলবে না।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এনসিটি ডিপিওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে যথাক্রমে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা ও পরবর্তীতে ২৪ ঘণ্টা করে সর্বমোট ৯৬ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হয়। তবে সরকার বা কর্তৃপক্ষ থেকে সংকট নিরসনে কোনও আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। গত ৫ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা দুপুর আড়াইটায় আমাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন। ওই আলোচনা সভায় আমরা তার কাছে চার দফা দাবি উপস্থাপন করি। এসব দাবি নিয়ে কোনও সুরাহা না হওয়ায় আবারও আমরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছি।
Manual4 Ad Code
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের নেতা মো. হারুন, তসলিম হোসেন সেলিম, আবুল কাসেম, ইয়াসিন রেজা রাজু, জাহিদ হোসেন ও ইমাম হোসেন খোকন।