আজ শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual4 Ad Code

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাউবির উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। নতুন দায়িত্বে তিনি নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

Manual7 Ad Code

এদিকে ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিলে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান।

Manual5 Ad Code

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। গত ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে
ঢাবি উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে জানান, ওই দিন সকালে উপাচার্য শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন ড. নিয়াজ আহমদ খান। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Manual4 Ad Code

এর আগে নির্বাচনের আগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি অনেকটাই দূর হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দায়িত্ব পালনের এই পর্যায়ে এসে তিনি মনে করছেন, এখন সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।

তবে তিনি তখন আরও বলেন, যেন কোনো ধরনের শূন্যতা তৈরি না হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। সরকারের প্রয়োজন হলে তিনি আরও কিছু সময় দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত আছেন বলেও জানান। তিনি সরে দাঁড়াতে চান যাতে রাজনৈতিক সরকার তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। প্রয়োজনে তিনি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন বলেও উল্লেখ করেন।

পাশাপাশি তিনি সরকারকে অনুরোধ জানান, যেন দ্রুত তাকে ডেপুটেশন থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজ বিভাগে শিক্ষকতার কাজে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।