প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানালো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানালো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
editor
প্রকাশিত মে ১২, ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual8 Ad Code
আইনি জটিলতায় কয়েক দফা পিছিয়ে চলতি বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও নির্ধারিত সময়ে ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ফলে সাড়ে ছয় লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষা আরও বাড়ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা থাকলেও খাতা মূল্যায়নসহ বিভিন্ন কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ফল প্রকাশের জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এখনো খাতা মূল্যায়নসহ বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এ কারণে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ফল প্রকাশ সম্ভব হচ্ছে না। কবে ফল প্রকাশ করা হবে, সেটিও এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
Manual3 Ad Code
ঈদুল আজহার আগেই ফল প্রকাশ হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অধিদপ্তর চেষ্টা করছে ঈদের ছুটির আগে ফল প্রকাশ করতে। তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রস্তুতের কাজ সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে।
এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান পরীক্ষা শেষে সম্পন্ন হয় এবারের আয়োজন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাড়ে পাঁচ লাখ এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) প্রায় ৯০ হাজার।
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ হাজার ৫০০ বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর অনুপাতে সরকারি বিদ্যালয়ে প্রতি আটজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রতি সাড়ে পাঁচজনের মধ্যে একজন বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ পাবে।
Manual3 Ad Code
দুই ধরনের বৃত্তি দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন। বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পায়। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা পায় মাসে ২২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা। পঞ্চম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী দুই বছর এ সুবিধা পাবে শিক্ষার্থীরা।সুএঃ ঢাকা পোস্ট